ওসমানীনগরে সাম্প্রতিক গরমের তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে স্থানীয় মুরগির ফার্মগুলোতে বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র তাপমাত্রার কারণে মুরগিরা প্রচণ্ড কষ্টে আছে, এবং অনেক ফার্মে মুরগির মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।
স্থানীয় খামারিরা জানিয়েছেন, এ বছর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অতিরিক্ত তাপমাত্রা মুরগির স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। মুরগিগুলি অতিরিক্ত গরমের কারণে হাঁপাচ্ছে এবং তাদের মধ্যে তাপজনিত অসুস্থতা বেড়ে যাচ্ছে। অনেক খামারে মুরগির মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে, যা খামারিদের জন্য অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
খামারি রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন তাপমাত্রা বাড়ছে। আমরা ফার্মে অতিরিক্ত পানির ব্যবস্থা করেছি এবং মুরগিরা যাতে ঠান্ডা থাকতে পারে সে জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি, তবুও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুরগির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। মুরগির ফার্মে পর্যাপ্ত বায়ুচলাচল নিশ্চিত করা, ঠান্ডা পানি সরবরাহ করা এবং প্রয়োজনে কৃত্রিম শীতলীকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা যেতে পারে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে মুরগির মৃত্যু হার আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা পুরো খামার শিল্পের জন্য হুমকি স্বরূপ।
সরকারি পশুপালন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, খামারিদের সহায়তা করতে তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছে। তারা আশাবাদী, এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সবাই মিলে কাজ করলে মুরগির মৃত্যু হার কমানো সম্ভব হবে।
মৌসুমী গরমে ওসমানীনগরের মুরগির ফার্মগুলোর এই বিপর্যয় একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এর প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এসটি
ওসমানীনগর প্রতিনিধি 








