সিলেট জেলা পুলিশের সীমান্ত থানাগুলোতে কর্মরত পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের দাবি সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাচালান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই সিলেট মেট্রোপলিটন (এসএমপি) এলাকায় ধরা পড়ছে হাজার হাজার বস্তা ও কেজি ওজনের ট্রাকভর্তি ভারতীয় চোরাই চিনির চালান। প্রশ্ন জাগে এগুলো সীমান্ত এলাকা ছাড়াই উড়ে আসে কিভাবে? উড়াল দিয়ে আসছে কি না? এমন প্রশ্নে উত্তর দিতে পারছে না জেলা পুলিশের সীমান্তিক থানাগুলোর কর্তাব্যক্তিরা।
এরই ধারাবাহিকতায় এসএমপির গোয়েন্দা পুুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় চিনিসহ ২ টি ট্রক জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে চোরাচালানের সাথে জড়িত ২ জনকে। তারা হলো সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানার প্যারাইরচক জলকরকান্দি গ্রামের জাহাংগীর আলম (২৭) এবং একই থানার নাইখাই কোনারচর গ্রামের মাহমুদুর রহমান সাকিল (২৩)।
বুধবার (৩ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিশ্চিত করেছেন এসএমপি সিলেট-এর উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি জানান, বিশেষ অভিযানে সিলেট মহানগরীর এয়ারপোট থানার কাকুয়ারপাড় এলাকার সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ বাইপাস সড়কে অভিযান পরিচালনা করে মাহমুদুর ও জাহাংগীরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকালে ২৯৫ বস্তা ভারতীয় চিনি, যার মূল্য অনুমান ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকার এবং ০২টি ট্রাক পেয়ে জব্দ করা হয়েছে। ট্রাকগুলো গোয়াইনঘাট এলাকা থেকে এসে সিলেট নগরে প্রবেশ করছিল বলে জানায় পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে এসএমপি'র এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে এসপির আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ি পুলিশ ২৯ জুন ৫,৮৫০ কেজি ভারতীয় চিনি সহ ০১টি ট্রাক আটক করে। কোম্পানীগঞ্জ-টু সিলেটগামী রোডে দিয়ে একটি ট্রাক গোয়াইনঘাট থেকে সিলেট নগরের দিকে আসার পথে আম্বরখানা জামে মসজিদের সামন থেকে ট্রাকসহ ১১৭ ভারতীয় চোরাই চিনি জব্দ করা হয়। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা হয়।
আজকের সিলেট/বার্তা/কে.আর
খলিলুর রহমান 








