বন্যায় গত ২০ দিন ধরে তলিয়ে রয়েছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সবকটি সরকারি অফিস, হাসপাতাল। পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি অফিস। বানের স্রোতে ভেঙে পড়েছে বিভিন্ন এলাকার ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট।
স্থানীয় সংবাদসূত্র জানায়- উপজেলা কৃষি অফিস, নির্বাচন অফিস, মহিল বিষয়ক অফিস, সাব-রেজিস্টার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, সমবায় অফিস, জনস্বাস্থ্য এবং পল্লী উন্নয়ন অফিস এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় পানিতে তলিয়ে গেছে। স্থানীয় রাস্তাগুলো ডুবে থাকায় কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঠিকমতো অফিসে যেতে না পারায় সরকারি কাজকর্ম স্তবির হয়ে পড়েছে। পানিবন্ধী হেয়ে েরয়েছে উপজেলার রাখো মানুষ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি তলিয়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সরকারি অফিস ও হাসপাতালের সেবাগ্রহীতারা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। হাসপাতালের সেবাগ্রহীতা ও চিকিৎসকদের দুর্ভোগ লাগবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশমুখে একটি ভাসমান অস্থায়ী সেতু তৈরি করেছেন কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি নেতৃবৃন্দ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ দিন ধরে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সড়কপথ পানির নিচে ডুবে আছে। প্রায় লক্ষাধিক মানুষ বন্যাক্রান্ত। বন্যার্তদের জন্য ২৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এতে আড়াইহাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন বলেন, বন্যার শুরু থেকে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগেও অনেকেই ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বন্যার্তদের পাশে রয়েছেন। বন্যার মাঝে প্রশাসনিক কাজ অব্যাহত আছে। বন্যা মোকাবেলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
কুলাউড়াকে বন্যার কবল থেকে মুক্ত রাখতে খাল নদী খনন ও রাস্তাগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মান করে দ্রুত পানিপ্রবাহ ব্যস্থা গ্রহণ বলে বিজ্ঞমহল মনে করেন।
আজকের সিলেট/বার্তা/কে.আর
সংবাদদাতা 








