সিলেটে এক পদের বিপরীতে লড়ছেন ২৫ জন
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ AM

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

সিলেটে এক পদের বিপরীতে লড়ছেন ২৫ জন

অতিথি প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯/১২/২০২৫ ১২:২৬:১৬ PM

সিলেটে এক পদের বিপরীতে লড়ছেন ২৫ জন


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ জানুয়ারি। এদিন সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই পরীক্ষা আবেদনকারীদের নিজ নিজ জেলায় গ্রহণ করা হবে। উক্ত পরীক্ষায় সিলেট বিভাগে এক পদের বিপরীতে গড়ে লড়ছেন ২৫ পরীক্ষার্থী। বিভাগে ১,৯৮৯ পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৪৭,৮৭৯ জন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রতিযোগিতা করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি পদের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারাদেশের হিসেবে এক পদের বিপরীতে ৭৫ জন প্রার্থী লড়লেও সেক্ষেত্রে সিলেটে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বিভাগের ৪টি জেলায় ১,৯৮৯ পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৪৭,৮৭৯টি। এই হিসেবে সিলেট বিভাগে এক পদের বিপরীতে গড়ে লড়ছেন ২৫ জন। এদিকে পদের বিপরীতে আবেদন নিয়ে জেলা পর্যায়ে এর বিকল্প চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষক অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২ জানুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষায় সিলেট জেলায় ৫৫০ পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১২,২৩৩ জন। জেলাটিতে এক পদের বিপরীতে লড়ছেন ২৩ জন।

সুনামগঞ্জ জেলায় ৬৩৬ পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১৪,৪৮৯টি। জেলাটিতে এক পদের বিপরীতে লড়ছেন ২৩ জন। মৌলভীবাজার জেলায় ৫২২ পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৯,৪৬৭ জন। জেলায় এক পদের বিপরীতে পরীক্ষা যুদ্ধে নামছেন ১৯ জন।

হবিগঞ্জ জেলায় ২৮১ পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১১,৬৯০টি। জেলাটিতে গড়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন সর্বোচ্চ পরীক্ষার্থী। জেলায় এক পদের বিপরীতে লড়ছেন ৪২ জন।

এদিকে আগামী ২ জানুয়ারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। নারী ও পুরুষ প্রার্থীদের আলাদাভাবে তল্লাশি করা হবে এবং প্রয়োজনে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হবে। ব্লুটুথ বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্তের জন্য উভয় কান খোলা রাখতে হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ, ক্যালকুলেটর, যে কোনো ধরনের ঘড়ি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সঙ্গে পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রার্থীদের কালো বলপয়েন্ট কলম দিয়ে ওএমআর শিট পূরণ করতে হবে। পেনসিল ব্যবহার করলে উত্তরপত্র বাতিল হবে।

পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। ভুয়া পরীক্ষার্থী বা অসদুপায় অবলম্বনকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার পরীক্ষার বিষয়ে দৈনিক জালালাবাদকে বলেন, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ২ জানুয়ারি নিজ নিজ জেলায় অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে সকল স্তরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর