গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে ডাকাতের গুলিতে আহত সহকর্মী
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৪ AM

গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে ডাকাতের গুলিতে আহত সহকর্মী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪/০৪/২০২৬ ০২:৫৮:৫৫ PM

গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে ডাকাতের গুলিতে আহত সহকর্মী


মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতের ছোড়া গুলিতে আরেক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

গত সোমবার রাতে সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাউরভাগ গ্রামের মাঝপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়া ওই ডাকাতের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি পাইপগান ও ২১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করে মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, অস্ত্রসহ আটক ডাকাত দলের সদস্যের নাম সৈয়দ শামসুর রহমান ওরফে আতিক। তার গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বর্ষিজোড়া এলাকায় হলেও পুলিশ জানিয়েছে, তার বর্তমান অবস্থান হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায়।

তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে আরও তিনটি মামলা রয়েছে।

ওসি বলেন, গ্রামে ডাকাত প্রবেশ করেছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের গ্রাম থেকেও জড়ো হয় হাজার হাজার জনতা।

ডাকাতেরা এ সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং প্রাণে বাঁচতে জনতার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়ে। এমন এক পর্যায়ে নিজেদের সদস্যের ওপর গুলিগুলো বিদ্ধ হয়। আহত ডাকাতের কাছ থেকে পাইপগান উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দা গাজী আবেদ জানান, সোমবার রাতে সাজ্জাদ মিয়া নামে আমাদের এলাকার এক ব্যবসায়ী অচেনা কয়েকজনকে দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা দৌড়ে পালাতে থাকে। এ সময় তাদের একজনকে ধরে ফেলে লোকজন। অন্যরা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় গুলি ছুড়তে শুরু করে। তবে সব গুলিই লাগে আটক ব্যক্তির শরীরে।

বাউরভাগ গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর সময় তাদের একজনকে ধরে ফেলে গ্রামবাসী বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী।

পরে খবর পেয়ে শেরপুর ফাঁড়ি পুলিশ ও মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রামবাসীর হাতে আটক ওই ডাকাতকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে। এরপর তাকে প্রথমে নেওয়া হয় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ প্রহরায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

এএস/এপি

সিলেটজুড়ে


মহানগর