কৃষক ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৬ AM

কৃষক ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

আজকের সিলেট ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪/০৪/২০২৬ ০৩:০৩:৪২ PM

কৃষক ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে: প্রধানমন্ত্রী


বাংলাদেশের সবাই কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, বর্তমান বাংলাদেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে যে, এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এই দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, এই দেশের কৃষক যদি ভালো থাকে, তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।”

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, “আপনাদের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষককে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষককে সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা, সেই জন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।

“এরই ভিতরে আপনারা নিশ্চয়ই অবগত হয়েছেন যে, এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দিতে, যেই ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তার অবস্থান অনেক ক্ষেত্রেই পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে।”

সমাবেশে উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি, আপনি আজকে আমরা যারা এখানে উপস্থিত আছি, মাঠে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, এই মঞ্চে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, আমি হয়তো সরাসরিভাবে কৃষির সাথে সম্পর্কিত নই, কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছে, যেই মানুষটি কৃষির সাথে সম্পর্কিত।

“সরাসরিভাবে এখনো সম্পর্কিত আমাদের আত্মীয় স্বজন পরিবার পরিজনের। অর্থাৎ বাংলাদেশের আমরা যত মানুষ আছি, প্রত্যেকটি পরিবার, ৪ কোটি পরিবার আছে, প্রত্যেকটি পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশাই হচ্ছে কৃষি।”

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্রেস করা মাত্রই টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১ উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন প্রান্তিক কৃষকের মোবাইলে আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে যায়। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির কৃষক কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান।

বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান খাল খননের মাধ্যমে কৃষককে সেচ সুবিধার আওতায় এনেছিলেন জানিয়ে দলটি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খাল খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “সমগ্র বাংলাদেশে আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের লক্ষ্য রয়েছে- আমরা আগামী ৫ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ইনশাআল্লাহ খনন করব।

“এর মাধ্যমে আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- কৃষকের সেচের জন্য যে পানির কষ্ট, তাদের যে ভুগতে হয়, আমরা এই খাল খননের মাধ্যমে কৃষক ভাইদের কাছে, কৃষাণি বোনদের কাছে আমরা সেচের পানি পৌঁছে দিতে চাই। শুধু তাই নয়, এই খাল খনন করার মাধ্যমে আমরা আমাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হচ্ছে, বন্যার সময় যে অতিরিক্ত বর্ষণ হোক বা হঠাৎ করে যে পানি চলে আসে সীমান্তের ওপার থেকে, এই সমস্যাগুলোকে যাতে আমরা ম্যানেজ করতে পারি, সেই পানিগুলোকে যাতে আমরা পরবর্তী সময়ের জন্য ধরে রাখতে পারি, সেজন্য খাল খনন আমাদের একটি লক্ষ্য।”

এএস/এপি

সিলেটজুড়ে


মহানগর