গত কয়েক বছর ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া এবং সহজ করায় দেশ ছাড়ার হিড়িক পড়েছে সিলেটিদের মধ্যে। সে সুযোগ হাতছাড়া করছে না সিলেটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। প্রাথমিক শিক্ষায় সিলেটে কাটছে না শনিরদশা। তারমধ্যে শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি মিথ্যা তথ্য দিয়ে ছুটি নিয়ে ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডাসহ ইউরোপের দেশগুলোতে শিক্ষকদের স্থায়ী হওয়ায় সংকট বাড়ছে। গত এক বছরে শতাধিক প্রাথমিক শিক্ষক বিদেশে স্থায়ী বসবাস শুরু করলেও তাদের শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে না, ফলে প্রভাব পড়ছে প্রাথমিক শিক্ষায়।এতে খানিকটা শিক্ষক সংকটে পড়েছে সিলেটের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা।
সিলেট জেলা অনুমোদিত সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা ৭ হাজার ৮শ ৬২। এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৭ হাজার ১শ ৯৫ জন শিক্ষক। এছাড়া ১ হাজার ৪শ ৭৭ টি প্রধান শিক্ষক পদের মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১ হাজার ১’শ ৯ জন।জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক হাজার সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। আর এদের মধ্যে প্রবাসে স্বজন কিংবা মা বাবার অসুস্থতার কথা বলে ছুটি নিয়ে দেশ ছেড়েছেন শতাধিক শিক্ষক।
বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতার প্রভাবে শিক্ষক সংকট আরো বাড়ছে। ফলে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠছেন অভিভাবকরা। প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের এমন দেশছাড়ার প্রবণতাকে শিক্ষক সুলভ আচরন মানতে নারাজ শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।
তীর্থস্থান ভ্রমণ, প্রবাসে স্বজনদের সাথে দেখা করার অনুমতি নিয়ে দেশ ছেড়ে সেখানে স্থায়ী হওয়ায় ৪০ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরো ২১টি বিভাগীয় মামলা চলমান বলে জানালেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ২০২২ এর জাতীয় প্রচারণা কৌশল শীর্ষক কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার মানে সিলেট সারাদেশে পিছিয়ে বলে তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
নিউজ ডেস্ক 








