গোয়াইনঘাট ১৩ নং বিছনাকান্দি ইউনিয়নে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের একদিন পর ফের সুবিধা বঞ্চিত প্রায় অর্ধশত দুঃস্থদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুর ১২ টায় গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ চাল বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৩ নং ওয়ার্ডের অসহায় হতদরিদ্র কয়েকটি পরিবার সহ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানের প্রায় অর্ধশত পরিবারকে বৃহস্পতিবার খুঁজে এসব ভিজিএফের চাল দেন ইউপি প্রশাসক বদরুল ইসলাম।
গত মঙ্গলবার উপজেলার ১৩ নং বিছনাকান্দি ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুঃস্থদের ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম ও সেচ্চাচারিতার অভিযোগ উঠে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় স্থানীয় ১,২,৩ নং ওয়ার্ড মহিলা ইউপি সদস্য শ্রী মতি পদ্মা দেবী সিংহের বিরুদ্ধে। সরকারি ভিজিএফের চাল বিতরণে কালে চাল না পেয়ে তার বিরুদ্ধে সেচ্চাচারিতা অনিয়ম ও আত্মসাৎ এর অভিযোগ আনেন ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের অসহায় হতদরিদ্র সুবিধা বঞ্চিত অনেক নারী পুরুষ। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে ২১ মে সুবিধা বঞ্চিতদের কে খুঁজে বের করে প্রায় অর্ধশত দুঃস্থদের মাঝে এসব চাল বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: ভিজিএফের চাল নিয়ে ‘লুটপাট’ অভিযোগ, বিছনাকান্দিতে ক্ষুব্ধ হতদরিদ্ররা
মঙ্গলবার চাল না পেয়ে ফিরে আাসা সুবিধা বঞ্চিত কয়েকজন জানান,ওই দিন সারা দিন বসে থেকেও চাল দেয়নি মহিলা মেম্বার পদ্মা দেবী। ইউপি প্রশাসক খুঁজে এনে চাল দিয়েছেন। চাল পেয়ে আমরা খুশি হয়েছি।২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের কয়েকজন বাসিন্দা জানান,দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মেম্বার না থাকায় তারা সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ১৩'নং বিছনাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বদরুল ইসলাম বলেন, ভিজিএফের চাল বিতরণের দিন টুকেন ধারী অনেকে না আসায় ৫০ কেজি ওজনের প্রায় ৭ বস্তা চাল স্টকে থেকে যায়।সাথে সাথেই ইউএনও স্যার কে বিষয়টি অবহিতি করেছি।বুধবার দুপুরে সুবিধা বঞ্চিতদের খুঁজে এনে এসব চাল বিতরণ করা হয়।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার রতন কুমার অধিকারী বলেন, বিছনাকান্দিতে চাল বিতরণে অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি 








