বিয়ানীবাজার উপজেলায় পা বাঁধা অবস্থায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত এক সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শামীম আহমদ ধনু মিয়া স্থানীয়ভাবে ‘ধনু’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন সিএনজি চালক এবং বারইগ্রাম এলাকার শুক্কুর আলীর বড় ছেলে। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক।
সোমবার সকালে উপজেলার লাউতা ইউনিয়ন-এর বারইগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে শামীম আহমদ ধনু মিয়া (৪৫) নামের ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বিদ্যালয়ের পাশের একটি গাছে পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে পুলিশকে অবহিত করা হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের স্বজনদের দাবি, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে তার মনোমালিন্য চলছিল। প্রবাসফেরত ছেলের বিয়ের আয়োজন নিয়েও মতবিরোধ ছিল বলে তারা জানান। রবিবার ছেলের আকদ ও চিনিপান অনুষ্ঠানে বাবা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি সেখানে ছিলেন না।
নিহতের ছেলে সুলতান আহমেদ জানান, রাতে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসেন, পরবর্তীতে বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে বাবার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকার খবর পান।
খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ-এর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেটে পাঠানো হবে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি 








