যেভাবে করা হয় চুলের সিস্টিন থেরাপি
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৬ PM

যেভাবে করা হয় চুলের সিস্টিন থেরাপি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫/০৭/২০২৬ ১০:০০:১৩ AM

যেভাবে করা হয় চুলের সিস্টিন থেরাপি


মসৃণ, ঝকঝকে ও সোজা চুলের জন্য কেরাটিন ট্রিটমেন্ট দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এর বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সিস্টিন থেরাপি।

বিউটি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ট্রিটমেন্টে চুলে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের জোগান দেওয়া হয়, যা চুলকে ভেতর থেকে শক্তিশালী, মসৃণ ও উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, মানুষের চুলের প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশই কেরাটিন নামের একটি প্রোটিন দিয়ে তৈরি। আর কেরাটিন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সিস্টিন নামের একটি অ্যামিনো অ্যাসিড। চুলে প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দিলে তা রুক্ষ, প্রাণহীন ও দুর্বল হয়ে পড়ে। সিস্টিন থেরাপির মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হয়।

গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ধুলাবালি ও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে চুলের ক্ষতি হলে এ ধরনের থেরাপি উপকারী হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে চুল কেবল নরম ও সোজা দেখায় না, বরং ভেঙে যাওয়া ও অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যাও কিছুটা কমতে পারে।

যেভাবে করা হয় সিস্টিন থেরাপি
এই ট্রিটমেন্টের শুরুতে বিশেষ শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করা হয়। এরপর ভেজা চুলে সিস্টিন-সমৃদ্ধ প্রোটিন কমপ্লেক্স সমানভাবে লাগিয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট রাখা হয়। পরবর্তী ধাপে চুল না ধুয়েই ব্লো-ড্রাই করা হয় এবং স্ট্রেটনার বা হেয়ার আয়রনের সাহায্যে ছোট ছোট ভাগ করে কয়েকবার তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতে প্রোটিন চুলের গঠনের সঙ্গে ভালোভাবে যুক্ত হতে পারে। শেষে প্রোটিন শ্যাম্পু ও হেয়ার মাস্ক দিয়ে চুল ধুয়ে শুকিয়ে নেওয়া হয়।

কেরাটিনের তুলনায় কী সুবিধা?
বিউটি বিশেষজ্ঞদের দাবি, সিস্টিন থেরাপিতে সাধারণত ফর্মালডিহাইডের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। এ কারণে এটি কেরাটিন ট্রিটমেন্টের তুলনায় অপেক্ষাকৃত নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে যেকোনো হেয়ার ট্রিটমেন্ট করানোর আগে অভিজ্ঞ পেশাদারের পরামর্শ নেওয়া এবং নিজের চুলের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত পদ্ধতি নির্বাচন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর