শেখ হাসিনা কী ভারতের ‘তুরুপের তাস’?
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ PM

শেখ হাসিনা কী ভারতের ‘তুরুপের তাস’?

আজকের সিলেট ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫/০৭/২০২৬ ০৯:৪৬:৫৮ AM

শেখ হাসিনা কী ভারতের ‘তুরুপের তাস’?


প্রতিবেশী রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংকটে আশ্রয় দেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে সেই ব্যক্তিকে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন কোনো বিষয় নয়। ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রনেতা বা প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অন্য দেশে আশ্রয় নেওয়ার পর তাদের উপস্থিতি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক কৌশল এবং ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও এখন কূটনৈতিক মহলে একই ধরনের আলোচনা চলছে। প্রশ্ন উঠছে—তিনি কি ভারতের কাছে কেবল একজন আশ্রয়প্রার্থী, নাকি বাংলাদেশের রাজনীতিতে দিল্লির প্রভাব বিস্তারের একটি সম্ভাব্য ‘ট্রাম্প কার্ড’ বা ‘তুরুপের তাস’?

ইতিহাস কী বলছে
ভারত অতীতেও প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দীর্ঘ সময় আশ্রয় দিয়েছে।সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ হলেন তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা। ১৯৫৯ সালে চীনের বিরুদ্ধে ব্যর্থ বিদ্রোহের পর তিনি ভারতে আশ্রয় নেন এবং এরপর থেকে ভারতের মাটিতেই অবস্থান করছেন। তার বিষয়টি ভারত-চীন সম্পর্কের অন্যতম সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়।

একইভাবে ২০২১ সালে তালেবানের কাবুল দখলের পর আফগানিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলে গেলেও আফগানিস্তানের বহু সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ভারতে অবস্থান নেন। ভারত তাদের মাধ্যমে আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ যোগাযোগের একটি অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক ধরে রাখে।

শেখ হাসিনার অবস্থান কেন আলাদা
পর্যবেক্ষকদের মতে, শেখ হাসিনার বিষয়টি দালাই লামা বা অন্য কোনো নির্বাসিত নেতার সঙ্গে পুরোপুরি এক নয়। কারণ, তিনি বাংলাদেশের অন্যতম একটি আলোচিত রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা একজন সরকারপ্রধান। বাংলাদেশের রাজনীতি, প্রশাসন, ব্যবসা, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর তার দীর্ঘদিনের প্রভাব ছিল।

ফলে তার ভারতে অবস্থান নয়াদিল্লিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়ে একটি অতিরিক্ত কৌশলগত সুবিধা দিতে পারে বলে অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেন।

ভারতের একান্ত অত্যন্ত আস্থাভাজন শেখ হাসিনা
ভারত তার স্বার্থ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকেই বেশি আস্থাভাজন মনে করে। আওয়ামী লীগ আমলে ভারত সেই সুবিধাও আদায় করে নিয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ মে বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমরা ভারতকে যেটা দিয়েছি তারা তা সারা জীবন মনে রাখবে। প্রতিদিনের বোমাবাজি গুলি থেকে আমরা তাদের শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছি। এটা তাদের মনে রাখতে হবে।

২০২২ সালের ১৯ জুলাই আসামের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছিলেন, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা দেশ ছাড়িয়ে ভারতের মাটিতেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। শেখ হাসিনার দৃঢ় পদক্ষেপের কারণেই আসাম ভারতের মধ্যে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া আদানির সঙ্গে অসম বিদ্যুৎ চুক্তিসহ ভারতকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গোপনে দিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা।

চীনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি উপাদান?
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও চীনের প্রতিযোগিতা গত এক দশকে আরও তীব্র হয়েছে। বাংলাদেশও এই প্রতিযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো বিনিয়োগকারী দেশগুলোর অন্যতম। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ, কর্ণফুলী টানেল, পায়রা ও অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্পে চীনের বড় ভূমিকা রয়েছে। অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশকে নিজেদের নিরাপত্তা বলয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্ব চীনের দিকে আরও বেশি ঝুঁকে পড়ে, তাহলে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপস্থিতি ও তার দলকে ভারতের একটি বিকল্প প্রভাবের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা অনেকটাই বদলে গেছে। সেজন্য কেবল একজন নেতার উপস্থিতি দিয়ে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টিতে শেখ হাসিনাকে ব্যবহার
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও বাংলাদেশে এখনো তার অনেক অনুসারী আছে। শেখ হাসিনা তাদেরকে ব্যবহার করে বাংলাদেশে ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টির সক্ষমতা রাখে। ভারত বাংলাদেশকে চাপে রাখতে বা বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা তৈরিতে শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করতে পারে। বিভিন্ন সংখ্যালঘু, ধর্মীয় ইস্যুতে উস্কানিতে ভারত এবং শেখ হাসিনা ও তার অনুসারীদের হাত আছে বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার?
কূটনৈতিক অঙ্গনে এমন ধারণাও রয়েছে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আলোচনায় একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপাদান হিসেবে কাজ করতে পারে। সীমান্ত, পানি বণ্টন, বাণিজ্য, নিরাপত্তা সহযোগিতা কিংবা আঞ্চলিক সংযোগের মতো ইস্যুতে নয়াদিল্লি চাইলে তার উপস্থিতিকে সরাসরি নয়, বরং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে পারে—এমন আলোচনা নীতিনির্ধারণী মহলে রয়েছে। তবে এ ধরনের দাবি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ভারত সরকার কখনো দেয়নি।

ভারতের আনুষ্ঠানিক অবস্থান
ভারত বরাবরই বলে আসছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্যে হস্তক্ষেপ করে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বিভিন্ন সময়ে বলেছে, বাংলাদেশ তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

ঝুঁকিও কম নয়
শেখ হাসিনাকে যদি ভারত দৃশ্যমান রাজনৈতিক সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে, তাহলে সেটি উল্টো ভারতের জন্যও কূটনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এতে বাংলাদেশের বর্তমান বা ভবিষ্যৎ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ভারতবিরোধী জনমত আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে সব সময় লাভজনক নাও হতে পারে।

দালাই লামার উদাহরণ
ভারতে দীর্ঘদিন ধরে দালাই লামা রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। তবে ভারত কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে চীনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ঘোষণা না করলেও, বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে তার ভারতে অবস্থানকে ভারতের একটি কৌশলগত চাপ সৃষ্টির উপায় হিসেবে দেখে এসেছে। অর্থাৎ, কোনো নির্বাসিত নেতার উপস্থিতি নিজেই কখনো কখনো একটি কূটনৈতিক সম্পদে পরিণত হয়, এমনকি তাকে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার না করলেও।

বিভিন্ন দেশে আশ্রয় ও সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা
ইতিহাসে এমন বহু উদাহরণ রয়েছে যেখানে কোনো দেশ পলাতক বা নির্বাসিত রাজনৈতিক নেতা, রাষ্ট্রপ্রধান বা বিরোধী নেতাকে আশ্রয় দিয়ে কূটনৈতিক, নিরাপত্তাগত বা কৌশলগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদা, এবং সব ক্ষেত্রেই ‘আশ্রয় দেওয়া’ যে কেবল রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য ছিল, বিষয়টা এমন নয়।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ রাশিয়ায় আশ্রয় নেন। পরে রাশিয়া তাকে ইউক্রেনের ‘বৈধ প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে।

১৯৯৯ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর নওয়াজ শরিফ সৌদি আরবে নির্বাসনে যান। এই সময় সৌদি আরব পাকিস্তানের রাজনৈতিক সমঝোতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কিউবার বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়ে দীর্ঘদিন হাভানার ওপর রাজনৈতিক চাপ বজায় রেখেছে।

এ ছাড়া ২০১৩ সালের পর মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডের বহু নেতাকে আশ্রয় দিয়ে আঙ্কারা আঞ্চলিক রাজনীতিতে নিজের অবস্থান জোরদার করে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা কী বলছেন?
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের জন্য একটি ‘কৌশলগত সম্পদ’—এমন মূল্যায়ন করা যেতে পারে। তবে তাকে ট্রাম্প কার্ড বা তুরুপের তাস হিসেবে কতটা এবং কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নির্ভর করবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভারত-চীন প্রতিযোগিতার গতিপ্রকৃতি এবং নয়াদিল্লির দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক কৌশলের ওপর।

কূটনীতিতে কোনো সম্পদ সব সময় ব্যবহার করা হয় না; অনেক সময় সেটিকে শুধু সম্ভাব্য প্রভাবের উৎস হিসেবে ধরে রাখাই বড় কৌশল। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানও দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ভূরাজনীতিতে তেমন একটি সম্ভাব্য কৌশলগত উপাদান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম শফিউল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেছেন, শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের ট্রাম্প কার্ড। বিভিন্ন সময়ে ভারতে বসে শেখ হাসিনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এসব সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ভারত হাসিনাকে দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের একজন অধ্যাপক মঙ্গলবার বাংলানিউজকে বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে নিজেদের কাছে রেখে ভারত বাংলাদেশের কাছ থেকে কিছুটা সুবিধা নিতে পারে। বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে চাপেও রাখতে পারে। এটা এক ধরনের একটি কৌশল হতে পারে।’ তবে তিনি নিজের নাম প্রকাশ করতে চাননি।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন–ম্যাডিসনের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু এইচ. কিড এক গবেষণায় বলেন, নির্বাসিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা নেতাদের আশ্রয় দেওয়া স্বাগতিক রাষ্ট্রের জন্য একটি পররাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে আশ্রয়দাতা রাষ্ট্র প্রতিবেশী বা প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতের অবস্থান
রক্তাক্ত গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠিও দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, যেকোনো প্রত্যর্পণই আইনি বিষয়। আইনি প্রক্রিয়াতেই এর নিষ্পত্তি হবে।

শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের মনোভাবের কোনো বদল ঘটেনি বলেও জানান তিনি।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর