মৌলভীবাজারের বড়লেখায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন হাটে জমে উঠেছে গরু ও ছাগলের হাট। প্রতিবছরের ন্যায় উপজেলার খামারগুলোতে তৈরি করা হয়েছে নানান জাতের গরু। তবে শুধু বাণিজ্যিক খামারই নয়, বিভিন্ন জায়গায় ছোট পরিসরে পারিবারিক ভাবেও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে প্রস্তুত করা হয় ছোট বড় অনেক পশু।
বড়লেখা উপজেলা ডেইরি এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুর রহিম মো: ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেন- এবছর ভারতীয় পশু আমদানি বন্ধ থাকায় খুশি খামারি ও ব্যবসায়ীরা। সরকার যেভাবে কৃষি সেক্টরে প্রণোদনা দিয়ে থাকেন , তা আমাদের ডেইরি ফার্ম ও প্রানীসম্পদ সেক্টরে প্রণোদনা দিলে আমরা আরও উপকৃত ও লাভজন হতে পারতাম।
বড়লেখা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কোরবানির ঈদে ছোট বড় ১৫ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঈদের সময় বড় আকারের পশু গুলো ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, দামও পাওয়া যায় বেশি। তাই পারিবারিকভাবে লালন-পালন করা খামারিদেরও আগ্রহ বড় গরু প্রস্তুত করতে ।উপজেলার মধ্যে সর্দার,রাজা বাবু,ভাগ্যরাজ নামে অনেক পশু প্রস্তুত আছে বলে জানা গেছে।প্রতিবছর এরকম পশু প্রস্তুত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস তাদের সব সময় পরামর্শ দিয়ে আসেছে। এসময় তিনি আরও বলেন, কোররবানির ঈদকে সামনে রেখে সারাদেশে আলোচনার মূল বিষয় বড় আকারের ষাঁড়। আশা করছি খামারে উৎপাদিত গরু এবারের ঈদে বড়লেখার চাহিদা পূরন হবে এবং খামারিরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/জেকেএস
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 








