দোয়ারাবাজার বেরীবাঁধ ভেঙ্গ পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৭:৪৯ PM

দোয়ারাবাজার বেরীবাঁধ ভেঙ্গ পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬/০৬/২০২৪ ০১:১৬:২৭ AM

দোয়ারাবাজার বেরীবাঁধ ভেঙ্গ পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত


মেঘালয়-চেরাপুঞ্জিতে বেশি বৃষ্টি হওয়ায় সুনামগঞ্জের সীমান্ত নদী টইটুম্বুর হয়ে প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও বেরী বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। জেলার দোয়ারাবাজার সীমান্তের লক্ষীপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া-লক্ষীপুরের মধ্যস্তলের বেরীবাঁধ ভেঙে লক্ষীপুর, নোয়াপাড়া, রসরাই, সুলতানপুর, হাছনবাহার গ্রামের বাসিন্দারা বেকায়দায় পড়েছেন। তাদের বসতঘরেও তিন থেকে চার ফুট সমান পানি ওঠেছে। খাসিয়ামারা নদীর রাবারড্যামের পাশের বাংলাবাজার সড়কও প্লাবিত হয়েছে।

লক্ষীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল খসরু হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমদ জানানা, রোববার সকাল থেকে প্রবল বেগে পাহাড়ী ঢল নামা শুরু হয়। সাড়ে নয়টায় ঢলের চাপে খাসিয়ামারা নদীর নোয়াপাড়া-লক্ষীপুরের মধ্যগুলের বেরীবাঁধ ভেঙে যায়। এসময় পাহাড়ী ঢলে লক্ষীপুরের তাছির উদ্দিনের বসতঘর, মুখশেদ আলীর পোলট্রি ফার্ম ও আশরাফ আলীর দোকানঘর ভেসে যায়। এছাড়া এলাকার পাঁচটি গ্রামের ঘরবাড়িতে দুই থেকে তিন ফুট পানি ওঠে। নোয়াপাড়া থেকে চকবাজার যাবার সড়কও ডুবে যায় ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ৫১৩ মিলি মিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা নদীতে পানি বেড়েছে। ওপারের পানি প্রবল বেগে নেমে সুরমা নদীতে মিশছে। সুরমা নদীর পানিও কিছুটা বেড়েছে। তবে সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে পানি দুপুর ১২ টায় বিপদ সীমার ২৬ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছাতকে সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে যাচ্ছে। নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি শুরু হয়েছে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর