ফাইল ছবি
গোয়াইনঘাট উপজেলার ইসিএ ঘোষিত সংকটাপন্ন এলাকা জাফলংয়ে পিয়াইন নদীতে অবৈধভাবে পাথর উওোলন করতে গিয়ে পানিতে ডুবে রজব আলী নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত রজব আলী (৪০) জাফলং ইউনিয়নের বরবন হাওর গ্রামের রহমত উল্লাহর ছেলে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জাফলংয়ের নয়াবস্তি এলাকায় পিয়াইন নদীর মাঝ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, নিহত রজব আলী সকালে সাড়ে ৮টার দিকে বার্কি নৌকা নিয়ে পিয়াইন নদীতে বালু উওোলন করতে যায়। নয়াবস্তি এলাকায় দক্ষিণ দিকে পিয়াইন নদীর মাঝখানে বারকি নৌকা থেকে নেমে বালু তুলতে থাকে।এক পর্যায়ে নদীতে ডুব দিলে পানিতে তলিয়ে যায়। পরবর্তী দীর্ঘসময় রজব আলী পানির নিচ থেকে না উঠায় আশ পাশে থাকা আরও বারকি শ্রমিকরা পানিতে খুঁজাখুঁজি শুরু করে। এসময় প্রায় আদা ঘন্টা পর রজব আলীর মৃতদেহ পানির নিচ থেকে ভেসে ওঠে। পরে তার আত্মীয় স্বজনসহ ও অন্যান্য শ্রমিকরা রজবের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, জাফলং থেকে থানার দূরত্ব বেশী হওয়ার করনে থানা পুলিশ সব সময় অভিযান পরিচালনা করতে পারে না। তাই জাফলং বিটকেই মুলত সার্বক্ষনিক বিষয়টি দেখাশুনা করার কথা। কিন্তু এই বিটে যিনিই বিট অফিসার হিসেবে আসেন তিনিই লুটপাটকারীদের সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে যান। ফলে থানা পুলিশ বা ট্রাক্সফোর্স অভিযান শুরু করার আগেই খবর পৌঁছে যায় পাথর লুটেরাদের হাতে। আর বিট অফিসারকে ম্যানের করেই চলছে এই ধ্বংসলীলা।
তবে পাথকখেকোদের সাথে নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের জাফলং বিট কর্মকর্তা এসআই মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, আমার জনবল সীমিত। এই জনবল দিয়ে বালু ও পাথক উত্তোলন বন্ধ করা সম্ভব নয়। মাঝে মধ্যে ট্রাক্সফোর্স অভিযান চালায়, আমি নিজেও থানা থেকে পুলিশ নিয়ে এসে অভিযান পরিচালনা করি, তার পর বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করা যাচ্ছে না।
গত এক মাসে থানা পুলিশের সমন্বয়ে কয়টি বিশেষ অভিযান পারিচালনা করেছেন এবং জনবল বৃদ্ধির জন্য যথাযত কর্তৃপক্ষের কাছে কোন চাহিদা দিয়েছেন কি না- এমন প্রশ্নের কোন সুদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার তোফায়েল আহমদ জানান, জাফলং পিয়াইন নদীতে পাথর তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে সে মৃত্যুবরণ করে। লাশের সুরতাহল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।পরিবারকে একটি দরখাস্ত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং সিলেট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এর অনুমতি সাপেক্ষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে সে মৃত্যুবরণ করে। লাশের সুরতাহল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।পরিবারকে একটি দরখাস্ত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং সিলেট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এর অনুমতি সাপেক্ষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এপি
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি 








