জাতীয় ক্রিকেট লিগ সিলেট পর্বের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বরিশালের। শুরুতেই ওপেনার জাহিদু্জ্জামানকে হারায় তারা। এরপর ঝড় তোলেন ফজলে মাহমুদ রাব্বি। তবে পাওয়ার প্লে শেষের পরই রানআউটে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আরেক ওপেনার ইফতেখার হোসেন।
এরপর অধিনায়ক সালমান হোসেনকে সাথে নিয়ে ৪৫ রানের জুটি গড়েন ফজলে রাব্বি। রেজাউর রহমান রাজার শিকার হওয়ার আগে ৪ ছক্কাসহ ২১ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন বরিশাল অধিনায়ক।
এরপর অবশ্য একাই লড়েছেন ফজলে রাব্বি। দেখা পান নিজের ফিফটিরও। তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কোন ব্যাটার। ৪৪ বলে চারটি করে চার ও ছক্কায় ৬০ রানের ইনিংস খেলে খালেদের শিকার হন রাব্বি। বাকিদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৪১ রানে থামে বরিশাল। সিলেটের হয়ে তিন উইকেট শিকার করেন ইবাদত হোসেন।
রান তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রানআউট হন সিলেটের ওপেনার মুবিন আহমেদ। অল্পতেই থেমেছেন অধিনায়ক জাকির হাসানও। এরপর আরেক ওপেনার মিজানুর রহমানও মাত্র ১৩ রানে আউট হন। তবে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। ৩৫ রানের জুটি গড়েন তারা। মাঝে রাহাতুল ফেরদৌসও ব্যর্থ হন। আসাদুল্লাহর ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান।
এরপর দ্রুত উইকেট হারায় সিলেট। রানআউটে কাটা পড়েন ইনিংসের সর্বোচ্চ রান স্কোরার অমিত। ৩২ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। শেষদিকে জমে ওঠে ম্যাচ৷ শেষের ২ ওভারে ৩০ রানের সমীকরণ ছিল সিলেটের। তবে ব্যাট হাতে সৈয়দ খালেদ আহমেদের ৯ বলে ১২ ও রেজাউর রহমান রাজার ৭ বলে অপরাজিত ১৯ রানে ২ বল বাকি থাকতে ২ উইকেটের জয় পায় সিলেট।
শেষদিকে ২ ওভারে ৩০ রানের সমীকরণ মেলাতে বড় ভূমিকা রাখেন রাজা। ৭ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ১৯ রান করেন তিনি। এর আগে চার ওভার বল করে ৩৩ রান খরচায় বরিশালের অধিনায়ক সালমান হোসেনের উইকেট শিকার করেন রাজা।
আজকের সিলেট/মিমো/ প্রতিনিধি
ক্রীড়া প্রতিবেদক 








