আগামী ২৮ মে দেশে উদযাপিত হবে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। হাট পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে আসতে শুরু করেছেন বেপারিরা।
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কাজিরবাজার পশুর হাটসহ সিলেট সিটি করপোরেশনের আওতায় এবার মোট ছয়টি পশুর হাট বসছে। ইতোমধ্যে হাটে জায়গা দখল ও সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ী ও বেপারিরা। বিশেষ করে হাটের প্রবেশমুখ ও সামনের অংশে স্থান পেতে আগ্রহ বেশি দেখা গেছে, যাতে ক্রেতাদের নজরে সহজেই আসে তাদের পশু।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, এখনো ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। তবে বেপারিদের আশা, ঈদের শেষ কয়েকদিনে বাজার জমে উঠবে। আগাম নিয়ে আসা পশুগুলোর পরিচর্যায়ও কোনো কমতি রাখছেন না তারা।
হাটে আসা একাধিক বেপারি জানান, ভালো জাতের গরু ও ছাগল নিয়ে তারা সিলেটে এসেছেন। এখনো বিক্রি শুরু না হলেও শেষ সময়ে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তারা।
হাট-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এবার কাজিরবাজার পশুর হাটে নতুন ইজারাদাররা রসিদের হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণ করেছেন। এতে ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বলে জানান তারা।
এছাড়াও সিলেটের বাইরের জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হাট এলাকায় পুলিশি নজরদারি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং জাল নোট শনাক্তকরণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইজারাদাররা।
সবমিলিয়ে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে সিলেটের পশুর হাটগুলো। এখন শেষ সময়ের ক্রেতাদের অপেক্ষায় রয়েছেন বেপারি ও ব্যবসায়ীরা।
আজকের সিলেট/এপি
মো: ফারুক মিয়া 








