নির্বাচন যত তাড়াতাড়ি হবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:১৩ AM

মির্জা ফখরুল

নির্বাচন যত তাড়াতাড়ি হবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১/১১/২০২৪ ০৫:৪৮:০২ AM

নির্বাচন যত তাড়াতাড়ি হবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল


নির্বাচন যত তাড়াতাড়ি হবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা দ্রুত নির্বাচন চাই, এটা আমরা পরিস্কার করেছি। কেনো দ্রুত নির্বাচন চাই?। দ্রুত চাই এজন্য যে, নির্বাচিত সরকার ছাড়া জনগণকে আর কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। সেজন্য আমরা মনে করি, এক হচ্ছে, সংস্কার করতে হবে, তা নিয়ে যাবে পার্লামেন্টে, সেইভাবে অনুমোদন করা হবে, ডিবেট করে সেখানে সেটা পাস করাতে হবে এবং তাদের জনপ্রতিনিধিকে গ্রহণ করিয়ে সেটা করতে হবে। সুতরাং নির্বাচন যত তাড়াতাড়ি হবে তত দেশের জন্য মঙ্গল।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসেক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির ৫২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ফাঁদ থাকলে সেখানে আমাদের শত্রুরা যারা চেষ্টা করছে সমস্ত কিছু দখল করে ফেলার এবং বিপ্লবকে ব্যর্থতায় পরিণত করতে, তারা সুযোগ পেয়ে যায় এবং পাচ্ছে। বিভিন্ন মহল বিভিন্ন জায়গায় দাবি-দাওয়া নিয়ে আসছে, কেনো বাবা আগে কেউ এসব দাবি-দাওয়া করনি কেন? এখন নিয়ে আসছো? অপেক্ষা করো? জনগণের সরকার আসুক। এসব বিষয়গুলো বুঝা উচিত, মাথা রাখতে হবে। অনেকে বলে যে, এতোদিন পারিনি তাই এখন দাবিগুলো নিয়ে আনছি। এটাতে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়।

কিছু উপদেষ্টার কথায় খটকা লাগে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমি একটু চিন্তিত হয়ে যাই, কিছুক্ষণ আগে সাইফুল হক ভাই বলেছেন উদ্বিগ্ন হই, কখন কি বলেন? আমি আশা কবর যে, আপনি একটা সরকারে আছেন, দায়িত্ব পালন করছেন উপদেষ্টারা, তারা এমন কোনো কথা বলবেন না বা এমন কোনো কাজ করবেন না যাতে জনগণ বিভ্রান্ত হয়। আমাদের সম্ভবত লোকাল গর্ভামেন্টে এডভাইজার সাহেব (হাসান আরিফ) বলেছেন, চার বছর সরকারের মেয়াদ। এটা তার বলা কথা নয়। তারা কমিশন গঠন করেছেন সেই কমিশন প্রস্তাব দেবেন, জনগণ গ্রহণ করবে তারপরে না জনগণ ঠিক হবে। কিন্তু যিনি ক্ষমতায় বসে আছেন তিনি যদি বলেন যে, সরকারের মেয়াদ চার বছর হবে তাহলে একটা চাপ পড়ে যায়, এই কাজটা হাসিনা (শেখ হাসিনা) খুব ভালোভাবে করতেন যেকোনো মামলার রায়ের আগে বলে ফেলতেন, ওইটা ওটা কখনো সঠিক পথে নিয়ে যাবে না। তাই অনুরোধ করব, এমন কথা-বার্তা না বলা যেটাতে জনগণ বিভ্রান্ত হয়।

বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাসী উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি ,এটা বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমাদের বাংলাদেশের মানুষ আমরা অসাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাস করি। আমরা সব সময় সকল সম্প্রদায় একসাথে কাজ করে আসছি, একসাথে যুদ্ধ করেছি। ইদানিং দেখছি আমরা একটা সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেৃ একটা বড় রকমের আন্দোলন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এটা কেনো জানি না, ভারতের যে বক্তব্য বাংলাদেশের বিপদ সম্পর্কে তার সঙ্গে মিলে যায়। যেটা বাংলাদেশের এই বিপ্লব ছাত্র-জনতার রক্ত দিয়ে যে অর্জন করা সেটাকেত অনেকাংশে বিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এই কথা বলতে আমি বাধ্য হলাম। আমাকে বিদেশের সাংবাদিকরা টেলিফোন করেন বিশেষ করে ভারতের সাংবাদিকরা তারা বলতে চান যে, স্যার ড. ইউনুস কি রাষ্ট্র্র চালাতে পারছেন না, এই ধরনের কথা বার্তা তাদের কাছ থেকে আসে। আমি তাদেরকে বলি প্রশ্নই উঠতে পারে না। গোটা দেশের মানুষ তার উপর আস্থাশীল। তিনি সুন্দরভাকে দেশ চালাচ্ছেন। যাকে মানুষ সমর্থন দেয় সেখানে কোনো কিছু থাকতে পারে না।

জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারি পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জেএসডির তানিয়া রব, শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

আজকের সিলেট/ডি/এপি

সিলেটজুড়ে


মহানগর