সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সভার তারিখকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হওয়া ১০ জনের মধ্যে গুরুতর আহত ছমির মিয়া ছমির মিয়া (৭০) মারা গেছেন। তিনি উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত ডুমাই উল্লাহের ছেলে।
রোবাবার বিকেলের দিকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
জানা যায়, এর আগে গত শুক্রবার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বার্ষিক সভা নিয়ে আলোচনার মধ্যে এক পর্যায়ে তারিখ নির্ধারণ নিয়ে মসজিদের মোতাওয়াল্লি হান্নান মিয়া ও গ্রামের মুরুব্বি মুক্তার মিয়া মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়েছিল। পরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গ্রামের খেলার মাঠে প্রায় ঘন্টাব্যাপী সংর্ঘষে লিপ্ত হন। এসময় উভয় পক্ষের প্রায় ২০জন আহত হন। এরমধ্যে আহত তিনজনকে জগন্নাথপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তাদেরকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত ডুমাই উল্লাহের ছেলে ছমির মিয়া (৭০) গুরুতর আহত হন।
মুক্তার মিয়ার পক্ষের লোকজন জানান, শুক্রবার সংঘর্ষের সময় ছমির মিয়া গুরুতর আহত হন। আমরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জগন্নাথপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাই সেখানে থাকা চিকিৎসকরা আমাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কজেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বিকালে মৃত্যু বরণ করেন।
জগন্নাথপুর থানার এসআই ও রানীগঞ্জ বিট অফিসার অলক দাশ জানান, সভার তারিখকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় আমরা ৫ জনকে আটক করে সুনামগঞ্জ কোর্টে প্রেরণ করেছিলাম। সেখানে তারা বিষয়টি শেষ করবে বলে জামিনে চলে আসে। এখনো পক্ষে অভিযোগ দেয় নাই এর পরও আমরা সংর্ঘষের পর থেকে সেখানে টহল দিয়ে আসছি।
জগন্নাথপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, নোয়াগাঁও গ্রামে একজন মারা গেছেন শুনেছি, শুনেছি তিনি শ্বাসকষ্ট মারা গেছে। সংঘর্ষের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে কিনা তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








