এবার জানা গেল ডাকাতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন চার আ.লীগ নেতা
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৪০ AM

এবার জানা গেল ডাকাতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন চার আ.লীগ নেতা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০/১২/২০২৪ ০৩:৩২:৪৮ AM

এবার জানা গেল ডাকাতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন চার আ.লীগ নেতা


ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতারের তথ্যের পর এবার জানা গেল ভারতে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে কলকাতার নিউ টাউন এলাকা থেকে সিলেট আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির মেঘালয় রাজ্যের পুলিশ।

যদিও এর আগে গতকাল কলকাতার আদালতের একজন আইনজীবীর বক্তব্যবের সূত্র ধরে ভারত ও বাংলাদেশের সব ক'টি শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যম ভারতের কলকাতা থেকে ধর্ষনের অভিযোগে সিলেট আওয়ামীলীগের চার নেতা গ্রেফতারের সংবাদ প্রকাশ করেছিল। ঘটনার দু'দিন পর এটি নতুন করে মোড় নিয়েছে।

কলকাতা থেকে গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামীলীগ নেতারা হলেন- সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের অপসারিত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সিলেট মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি রিপন ও যুবলীগের সদস্য জুয়েল। এছাড়াও একই মামলায় পলাতক রয়েছেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসার আজিজ ও সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু।

সিলেট আওয়ামী লীগের নেতাদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে মেঘালয়ের পত্রিকা দ্য শিলং টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার চারজনকে রোববার রাতে কলকাতা থেকে পশ্চিম জৈন্তা হিল জেলার প্রধান শহর জোয়াইয়ে আনা হয়। ট্রাক চালককে মারধরের অভিযোগে ডাউকি থানায় দায়ের হওয়া মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

এদিকে, মেঘালয়ের দ্য শিলং টাইমসের সাংবাদিক অঘোর পরাগ সংশ্লিষ্ট থানার বরাত দিয়ে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডাউকি থানায় গত অক্টোবর মাসে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে —মামলা নম্বর ১/২৪ ইউ/এস ১১৮(১)/৩০৯(৪)/৩১০(২)/৩২৪(৪) বিএনএস এবং ১৪ ফরেনস অ্যাক্টে— ৮ ডিসেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার নিউটাউন এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

যেসব ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে
ভারতীয় আইনে দেখা যায়, ১১৮(১) বিএনএস : এটি বিপজ্জনক অস্ত্র বা উপায় দ্বারা স্বেচ্ছায় ক্ষতি করার সঙ্গে সম্পর্কিত। ধারা ৩০৯(৪) বিএনএস : এটি ডাকাতির শাস্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও উপধারা (৪)-এর সুনির্দিষ্ট বিবরণ এখানে উল্লেখ করা হয়নি, সাধারণত ডাকাতির মধ্যে চুরি এবং সহিংসতার ব্যবহার বা হুমকি অন্তর্ভুক্ত থাকে। ধারা ৩১০(২) বিএনএস : এটি ডাকাতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তির মাধ্যমে সংঘটিত ডাকাতি। ধারা ৩২৪(৪) বিএনএস : এটি ডাকাতি করতে গিয়ে স্বেচ্ছায় ক্ষতি করার সঙ্গে সম্পর্কিত।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর