কয়েকদিন বিরতি দিয়ে মাঘের শেষে এসে আবারও শীতের দাপট শুরু হয়েছে। একদিকে শীত বেড়ে যাওয়া অন্যদিকে হিমেল হাওয়ায় যারা শীতের কাপড় গুটিয়ে রাখা শুরু করেছিলেন তারা আবার সেগুলো খোলা শুরু করেছেন। সকালের দিকে এবং রাত বাড়ার সাথে সাথে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর হিমেল হাওয়ায় গায়ে কাঁপুনি ধরাচ্ছে অনেকের। সকালে দিকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে পথঘাট। বেলা না বাড়া পর্যন্ত দেখা মিলছে না সূর্যের।
সিলেট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সিলেটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরের দিকে কিছুটা শীতের তীব্রতা কমলেও গোধূলি থেকে আবারও বাড়তে থাকে শীত।
এদিকে, শীতের দাপট বেড়ে যাওয়ায় গরম কাপড়ের ব্যবসার পালে নতুন করে লেগেছে হাওয়া। আবারও জমজমাট হয়ে উঠেছে ফুটপাতসহ বিভিন্ন গরম কাপড়ের দোকানগুলো। এসব দোকানে বিক্রি হওয়া কাপড়ের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল শিশু কিশোরের ভারী কাপড়।
বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়দিন শীত কমে যাওয়ায় গরম কাপড়ের ব্যবসাও কমে গিয়েছে। শুধু বিদেশযাত্রী বিশেষ করে কানাডা বা ইউরোপগামীরাই ক্রেতা ছিলেন। তবে বুহস্পতিবার থেকে আবারও বিক্রি বেড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্ভাবাসে জানিয়েছে, শনিবার সকাল থেকে রোববার অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা ও দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বর্ধিত পাঁচদিনের আবহাওয়ায় তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
নিউজ ডেস্ক 








