হবিগঞ্জ থেকে নসরতপুর আঞ্চলিক বাইপাস সড়কের রাস্তার মাঝখানে বিদুৎতের খুটি রেখে ডিভাইডারের কাজ শেষ করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। আর এতে করে ঘটছে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দূর্ঘটনা।
সওজ বলছে, তারা পল্লী বিদ্যু বিভাগকে চিটি দিয়ে জানিয়েছে খুটি সরানোর জন্য, বিদ্যুত বিভাগ ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছে। অপরদিকে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, খুটি সরানোর জন্য আমরা সড়ক ও জনপথ বিভাগকে টাকার ডিমান্ড দিয়েছি, দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করা হবে। এই আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে শতশত যাত্রবাহীসহ পণ্যবাহী পরিবহন।
স্থানীয়রা বলছেন, সড়কের মাঝখানে খুটি থাকার কারণে টার্নিং নেয়ার সময় প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। কাজ শেষ করে ৪দিন আগেই ঠিকাদারী প্রতিষ্টান চলে গেছে। এখন শুধু কিছু রঙ্গের কাজ বাকী রয়েছে। এইসব বিদ্যুতের খুটি তুলতে গেলে আবার নতুন করে রাস্তা খুড়তে হবে। বিদুৎ ও সড়ক বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে রাস্তার মাঝখানে দাড়িয়ে আছে এসব খুটি। এগুলো সরকারী টাকার অপচয় ছাড়া আর কিছুই না।
সরেজমিন দেখা যায়, ধুলিয়াখাল বাইপাস সড়কে নতুন করে ডিভাইডার তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তার মাঝখানে দাড়িয়ে আছে পাশাপাশি বড় তিনটি বিদ্যুতের খুটি। যেকোন গাড়ী টার্নিং নেওয়ার সময় একটু অসর্তক হলেই ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্গটনা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি সিএনজি অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস দূর্গটনা শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। একই পয়েন্টে রাস্তার মাঝে আরো একটি খুটি দাড়িয়ে আছে। এযেন একটি মরণ ফাঁদ তৈরী হয়ে আছে।
এখানকার বাসিন্দা ফরিদুল মিয়া জানান, সন্ধার পর প্রায়ই দেখা যায় ছোট বড় গাড়ী খুটির সাথে এসে ধাক্ষা লাগে, এতে করে অনেকে আহতসহ গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
হবিগঞ্জ সিলেট বিরতিহীনের একজন চালক বাবুল মিয়া জানান, ডিভাইডার হওয়ার আগে ভালই ছিল, এখন ডিভাইডার দিয়ে রাস্তার পাশের বড় করার কারণে বিদ্যুতের খুটি গুলো সড়কের মাঝ বরাবর দাড়িয়ে আছে। এখানে আসার পর একটু অসর্তক হলেই বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটবে। আমরা সব সময় ভয়ের মধ্যে থাকি।একইভাবে পাইকপাড়া মোড়ে ডিভাইডার তৈরী করা হয়েছে সড়কের মাঝে বিদ্যুতের খুটি রেখে। সেখানকার কাজ প্রায় শতভাগ শেষ, কিন্তু বিদ্যুতের বড়বড় দুটি খুটি আড়াআড়িভাবে দাড়িয়ে আছে। গেল একসপ্তাহে সেখানে দুটি মোটরসাইকেল দূঘর্টনার শিকার হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, চলতি মাসের মধ্যে কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে কাজটি করতে হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতকে আমরা চিটি দিয়েছি, তারা খুটি গুলো সড়ক থেকে সরাবে বলে জানিয়েছে।
হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস জানান, খুটি সরানোর খরচ সড়ক বিভাগকে বহন করতে হবে। আমরা টাকার ডিমান্ড পাঠিয়েছি। জনস্বার্থে খুটিগুলো দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 








