নাব্যতা সংকটে সুমেশ্বরী নদী
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:১১ PM

নাব্যতা সংকটে সুমেশ্বরী নদী

অমৃত জ্যোতি, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) থেকে

প্রকাশিত: ১০/০২/২০২৪ ১১:১৮:৩০ AM

নাব্যতা সংকটে সুমেশ্বরী নদী


মধ্যনগর উপজেলা সদর সংলগ্ন সুমেশ্বরী নদীতে প্রতি বছরের ন্যায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে এবারো। যার দরুন নৌযানে প্রয়োজনীয় পণ্য স্থানান্তর করতে ব্যাপক ভুগান্তি পোহাচ্ছেন নৌযান শ্রমিকেরা। এরি মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চরপড়ে বিশাল মাঠে পরিনিত হয়েছে।

কবির ভাষায়- "আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে" কবির কবিতাকে হাড় মানিয়ে মনে করিয়ে দেয় মধ্যনগরের সুমেশ্বরীর কথা। বৈশাখে হাটু জল থাকার কথা কিন্তু মাঘের শুরুতেই ভেসে উঠে এমন চিত্র। এই নদীতে শুকনোর  মৌসুমে থাকেনা আগুন নিভানোর পানিও। এযেন কারো দেয়া কোন এক অভিশাপ!চলমান এসময়ের-চিত্রে চরপড়া বালুময় নদীতে নাব্যতার সংকটে পন্যবাহী নৌযানের ঝটলা বাঁধে থাকবে প্রায় ৫কিলোমিটার।মধ্যনগর বাজার সংলগ্ন হুলাকান্দা বাজার ভায়া পাকা ব্রীজ, মধ্যনগর আখড়া ঘাট হয়ে জমশেরপুর টানা ঘাট পর্যন্ত রয়েছে নাব্যতা সংকট। 

একএকটি নৌকা নদীতে আটকে থাকবে ১০থেকে ১৫ দিন।আবার কোন বাল্কহেড থেকে নদীর পারে পন্য ফেলে রেখেও খালী নৌকাটি বের হতে পারেন না,নাব্যতার সংকটের কারণে।নদীর শ্রমিকেরা খাদ্য সংকটে না খেয়েও দিন অতিবাহিত করেন প্রতি বছরেই।

এলাকার জনসাধারণের দাবী এর একমাত্র সমাধান-"নদীখনন"।ভাটি এলাকার কৃষকের বোরোধান আগামবন্যার কবল ও নৌযান চলাচলের মাধ্যমে শ্রমিক বাচাতে প্রয়োজন "নদী খনন"।এর কোন বিকল্প নেই পলে এমতাবস্থায় এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ জোর দাবী জানাচ্ছেন দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নদী খননের।

মধ্যনগর উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক মোঃরুহুল আমীন তালুকদার রব বলেন,স্বাধীনতার পর থেকেই এই অঞ্চলের নদী খনন করা হয়নি। প্রতি বছরেই পাহাড়ি ঢলে নদী ভরাট হয়ে খালের মত হয়েছে।এই মৌসুমে মধ্যনগরে অপরিচিত কেহ আসলে সে চিনবেই না নদী নাকি খাল।তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার প্রতিনিধিকে জানান 'কে জানান ইতিমধ্যে সুনামগঞ্জের ১৪টি নদী খননের চাহিদা পাটানো হয়েছে।অনুমোদন আসলে আশা করছি পাহাড় থেকে নেমে আসা সুমেশ্বরী সহ চড়পড়া সকল নদীই খনন হবে।

আজকের সিলেট/জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর