সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ইতিহাসে যুক্ত হলো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে নির্মিত প্রধান ফটক 'জুলাই ৩৬ গেইট' এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকটি উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম। উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম মাহবুব-ই-ইলাহী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় পরিচালক, রেজিস্ট্রার, দপ্তর প্রধান, হল প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর ড. আলিমুল ইসলাম বলেন,‘জুলাই ৩৬ গেইট শুধুই একটি স্থাপনা নয়, এটি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের এক নীরব সাক্ষী। এ গেইট নতুন প্রজন্মকে স্মরণ করিয়ে দেবে, কীভাবে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মানুষ তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।’
তিনি বলেন,‘গেইটটির নাম 'জুলাই ৩৬' রাখা হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শহিদ ও আহত বীর সন্তানদের স্মরণে। এ নামের প্রতিটি অক্ষরে নিহিত আছে সংগ্রাম, প্রতিজ্ঞা ও ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণা।’
সিকৃবির প্রধান প্রকৌশলী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন জানান, ভাইস চ্যান্সেলরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গেইটটি সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
ক্যাম্পাস সুত্রে জানা যায়, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের আমলে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুর্নীতি বাজ ভিসি জামাল ভূঞা পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মেইন গেইটের কাজ বাবদ ১ কোটি টাকার বিল সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে প্রদান করেন। কিন্তু আওয়ামী লেসপেনসার ও সোনার ছেলেদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে ঠিকাদার গেইটের কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে যায়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বর্তমান উপাচার্য ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর সিকৃবিতে যোগদান করলে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সংশ্লিষ্টদের সম্মিলিত সহযোগিতায় গেইটসংলগ্ন গাইড ওয়াল সহ মেইন গেটের বাকী কাজ সিডিউল অনুযায়ী ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সম্পাদন করতে সক্ষম হন।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
সিকৃবি প্রতিনিধি 








