গাজায় শিশুখাদ্য নেওয়ার লাইনে বোমাবর্ষণ, ৯ শিশুসহ নিহত ৮২
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২০ AM

গাজায় শিশুখাদ্য নেওয়ার লাইনে বোমাবর্ষণ, ৯ শিশুসহ নিহত ৮২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১/০৭/২০২৫ ০৯:৫৪:৪৪ AM

গাজায় শিশুখাদ্য নেওয়ার লাইনে বোমাবর্ষণ, ৯ শিশুসহ নিহত ৮২


ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক রাফায় স্থানান্তরের পরিকল্পনার সমালোচনার মধ্যে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় ভোর থেকে কমপক্ষে ৮২ জন নিহত হয়েছে বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

নিহতদের মধ্যে, মধ্য গাজার দেইর এল-বালাহে শিশুদের জন্য পুষ্টি সরবরাহের জন্য লাইনে অপেক্ষা করার সময় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নয়জন শিশু এবং চারজন মহিলা সহ ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গাজা উপত্যকায় বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ৮২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনা চলছে এবং রাফাহতে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়ছে।

নিহতদের মধ্যে ১৫ জন একসঙ্গে নিহত হন মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে শিশুখাদ্য সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়। এদের মধ্যে ৯ জন শিশু ও ৪ জন নারী। এ হামলায় আরও অন্তত ৩০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১৯ জনই শিশু।

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল এই হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেন, “মানুষ যখন বেঁচে থাকার জন্য সাহায্য নিতে যাচ্ছে, তখন তাদের হত্যা করা একেবারেই অমানবিক।”

তিনি আরও বলেন, “গাজায় মাসের পর মাস যথেষ্ট সাহায্য না পৌঁছানোর ফলে এখন শিশুরা অনাহারে দিন কাটাচ্ছে এবং দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।”

রাসেল ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন পুরোপুরি মেনে চলার আহ্বান জানান এবং এই হামলার স্বচ্ছ তদন্ত করার দাবি জানান।

এদিকে হামাস এক বিবৃতিতে এই হামলাকে ‘গাজায় গণহত্যার ধারাবাহিক অংশ’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, “ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে স্কুল, রাস্তাঘাট, শরণার্থী শিবির ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। এটি একটি পরিকল্পিত জাতিগত নিধনের অংশ, যা বিশ্বের চোখের সামনে ঘটছে।”

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর