এ যেন অচেনা সিলেট নগরী। নেই কোন কোলাহল। নেই যানজট, আর ব্যস্ততা। চারিদিকে সুনসান নীরবতা। বৃহস্পতিবার(১১ এপ্রিল) ঈদের দিন সকালে মহানগরের কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়- রাস্তাঘাটে যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। নেই তেমন মানুষজনও। অথচ গত কালকের দৃশ্য কল্পনা করলে ঠিক তাঁর বিপরিত।
বুধবার (১০ এপ্রিল) মিনিটে কতো গাড়ির যাতায়াত! ফুটপাথে গায়ে গায়ে লেগে থাকে মানুষের ভিড়। সেই শহর সুনসান নীরবতা। এ যেন অদ্ভুত সিলেট।
সিলেটসহ বিভিন্ন জায়গার কর্মস্থল ছেড়ে বেশিরভাগ মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামে চলে গেছেন। ঈদ আর পহেলা বৈশাখ ঘিরে টানা কয়েকদিনের ছুটিতে নগর ছেড়ে যাওয়ায় সেই চিরচেনা ব্যস্ত রূপ নেই সিলেটের।
সিলেটের জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, আম্বরখানা, লামাবাজার, চৌহাট্টাসহ বেশকিছু এলাকায় কমবেশি ব্যক্তিগত পরিবহন চলতে দেখা গেলেও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও রিক্সা চিলো খুবই কম। সিটি বাস ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল তো উধাও।
কোনো কোনো এলাকায়তো রিকশার টুংটাং শব্দও শোনা যায়নি। বাড়ি-ঘরের ভেতর থেকে আসা আওয়াজগুলোও ছিল ক্ষীণ। এ যেন গত একমাসের ব্যাস্ততার পর হঠাত গভীর ঘুমে পুরো নগর। নগরীর বেশ কিছু এলাকয় দোকানপাটও এখন বন্ধ-সব মিলিয়ে এক সুনসান পরিবেশ।
এদিকে, অনেকের অভিযোগ- এই সময়টায় রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা অযৌক্তিক ভাড়া আদায় করে নেন যাত্রীদের কাছ থেকে।
আজকের সিলেট/জেকেএস
শিপন চন্দ জয় 








