ছবি : মো. সোহেল মিয়া
'এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক॥ যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে-যাওয়া গীতি, অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক॥ মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা। রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি, আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ। মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক'।
চৈত্রসংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষ দিন আজ। বাংলা মাসের সর্বশেষ দিনটিকে সংক্রান্তির দিন বলা হয়। এ ছাড়াও আগামীকাল রোববার পহেলা বৈশাখ, নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩১।
নতুন বছরকে বরণ করতে প্রস্তুত সিলেট। দিনভর বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ‘পহেলা বৈশাখ’ উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। রোববার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলা নতুন বছরকে বরণ করতে সম্মিলিত নাট্য পরিষদের উদ্যোগে সুরমা নদীর উত্তরপাড় ও সারদা হল ঘিরে আয়োজন করা হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের। এছাড়া সুরমা নদীর চাঁদনীঘাটে প্রতিবছরের মতো এবারও বর্ষ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়া পহেলা বৈশাখে নগরীর সুবিদবাজারস্থ ব্ল-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রুতি। শ্রুতির আয়োজনে রয়েছে বৈশাখী মেলা, আবৃত্তি, নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশন। সাংস্কৃতিক সংগঠন আনন্দলোক সকাল ৭টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত সিলেট সংস্কৃত কলেজ প্রাঙ্গনে আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত সিলেট কেন্দ্রিয় শহিদমিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং একই স্থানে বিকেল ৩টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে উদীচী। সাংস্কৃতিক সংগঠন সোপানের উদ্যোগে নগরীর মিরাবাজারস্থ মডেল স্কুলে শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং চারণ’র উদ্যোগে চৌহাট্টাস্থ ভোলানন্দ নৈশ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বর্ষবরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
আজকের সিলেট/জেকেএস/এসটি
জনি কান্ত শর্মা 








