নগরীর সকলকে হোল্ডিং ট্যাক্সের আওতায় আনা হবে : সিসিক মেয়র
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৬:২২ AM

নগরীর সকলকে হোল্ডিং ট্যাক্সের আওতায় আনা হবে : সিসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২/০৫/২০২৪ ০৫:০৯:২৮ AM

নগরীর সকলকে হোল্ডিং ট্যাক্সের আওতায় আনা হবে : সিসিক মেয়র


সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, সিলেট নগরীর সকলকে হোল্ডিং ট্যাক্স’র আওতায় আনা হবে। সিসিকের নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ধনী-গরিব নির্বিশেষ সকলকে হোল্ডিং ট্যাক্স’র আওতায় আনা হচ্ছে। সম্প্রতি সিসিকের পূর্ববর্তী ২৭টি ওয়ার্ডে আরোপিত হোল্ডিং ট্যাক্সের হার কমছে না। তবে লিখিত আপত্তি জানালে সেটি যাচাই করবে সিসিকের গঠিত রিভিউ বোর্ড। পুরাতন ২৭টি ওয়ার্ডের জন্য ২৭টি রিভিউ বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই ওয়ার্ডগুলোতে হোল্ডিং ট্যাক্সের কার্যক্রম চলমান থাকবে। রিভিউ বোর্ডে একজন প্রকৌশলী ও একজন আইনজীবী নিযুক্ত থাকবেন। সেই রিভিউ বোর্ডকে আমি নিজে মনিটরিং করবো। মহানগরবাসী যাতে হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে কোনো সমস্যায় না পড়েন, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। আমরা সহনীয় পর্যায়ে ট্যাক্স নিয়ে আসবো।

রোববার বেলা আড়াইটার দিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিষদের ৩য় সাধারণ সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র আরও বলেন, হোল্ডিং ট্যাক্স একশো গুণ বেড়ে গেছে সেটি যুক্তিসঙ্গত নয়। আগে অনেকেই বিভিন্ন তদবিরের মাধ্যমে ট্যাক্স কমিয়েছেন। এখন সঠিক ট্যাক্স নির্ধারণ করা হলে সেটি অনেকেই মানতে পারছেন না। আমরা সেটিও দেখার চেষ্টা করছি। তবে যারা অসহায়-গরিব তাদের হোল্ডিংস অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে সে বিষয়টিও দেখা হবে।

মেয়র বলেন, আমি এ নগরের ২০ লক্ষ জনতার সেবক। যার ফলে আমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন সকল নাগরিকের কাছে দায়বদ্ধ। সে দায়বদ্ধতা থেকে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শ্রমিক, দিনমজুরসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে নতুন করারোপ নিয়ে আলোচনায় বসছি। বর্তমানে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আইনজীবী সমন্বয়ে ২৭ টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং ২৭ টি ওয়ার্ডে হোল্ডিং ট্যাক্স’র মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে নাগরিকগণ ২৮ মে পর্যন্ত করের হার পুনর্মূল্যায়ন করার সুযোগ পাবেন। প্রয়োজনে এ সময়সীমা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়াও স্বল্প আয়ের মানুষ ও দরিদ্র মানুষের করের হার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সিসিকের বিশেষ নজর থাকবে বলেও মেয়র নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, প্রত্যেকে নিজেদের নাগরিক সেবা প্রাপ্তির জন্য এবং নগরীর উন্নয়নের স্বার্থে নিজ দায়িত্বে নিয়মত কর প্রদান করবেন।

এছাড়াও নগরীর সমস্যা নিরসন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গ্রীন, ক্লিন ও স্মার্ট সিটি হিসেবে সিলেটকে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর