জয়ের পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের উদযাপন
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে : চার বারের চ্যাম্পিয়ন, কাগজে কলমে এবারের বিপিএলের সবচেয়ে শক্তিশালী দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে ১৩০ রানে আটকে দিয়েছিল দুর্বল দলগুলোর একটি সিলেট স্ট্রাইকার্স। ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে বার বার একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল- তবে কী মাশরাফি ম্যাজিকেই জয়ে ফিরবে সিলেট!
এবাবের বিপিএল ঢাকা পর্বে পর পর দুই ম্যাচে হারার পর থেকে সিলেট ঘরের মাঠেও ভাগ্য বদলালো না সিলেটের, ১৩০ করেই কুমিল্লা অতি সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। কোন উত্তেজনাই সৃষ্টি করতে পারেনি সিলেট স্টাইকার্স। হেরেছে গো হারা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৫২ রানে জয়ী হয়।
ঢাকাপর্বে দুই ম্যাচেই সিলেট হার। পয়েন্ট তালিকার নিচে চলে যায় সিলেট স্ট্রাইকার্স। তারকাসমৃদ্ধ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে যে ১৩০ রানেই আটকে দিয়েছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার দল সেটাই সিলেটের একমাত্র সাফল্য।
এদিকে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ইমরুল কায়েসের ব্যাটে ভর করে কুমিলা ভিক্টোরিয়ানস ২০ ওভারে ৮ ইউকেট হারিয়ে ১৩০ রান করে। ইনিংসে একমাত্র ইমরুল কায়েসই প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ২৮ বলে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন তিনি। তাওহিদ হৃদয় আউট হয়েছেন ৯ রান করে। ক্যারিবীয় রস্টন চেজ আউট হয়েছেন মাত্র ২ রান করে। জাকের আলি অনিক ২৭ বলে করেন ২৯ রান। খুশদিল শাহ ২২ বলে করেন ২১ রান। বাকি ব্যাটাররা দুই অংকের ঘরেও পৌঁছাতে পারেননি।
১৩১ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অফস্পিনার আলিস আল ইসলামের তোপের মুখে পড়ে ২৮ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে সিলেট। নাজমুল হোসেন শান্ত (৫), মোহাম্মদ মিঠুন (০), ইয়াসির আলি (১), বেন কাটিং (১), মাশরাফি বিন মর্তুজা (০)-দাঁড়াতে পারেননি কেউই।
জাকির হাসান কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ৩৪ বলে ৪১ রান করে অষ্টম ব্যাটার হিসেবে তিনিও ফিরলে শেষ আশাটাও শেষ হয়ে যায় সিলেটের। ১৬.২ ওভারে ৭৮ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
আলিস আল ইসলাম ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট। সমান ওভারে ১৭ রানে ২ উইকেট পান রস্টন চেজ।
আজকের সিলেট/ এমএম
মিজান মোহাম্মদ 








