প্রথা তৈরি হয়, প্রথা ভাঙ্গার জন্য- এই কথাটার
বাস্তব উদাহরণ বিপিএল সিলেট পর্ব! বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের মৌসুমের
ঢাকা পর্বের ম্যাচ জিততে হলে মাঠের লড়াইয়ের থেকে ভাগ্যের প্রয়োজন হচ্ছিল বেশি।
মাঠের লড়াই জমলেও যে আটটি ম্যাচ হয়েছে ঢাকার প্রথম পর্বে, সেখানে একই প্রক্রিয়া
অনুসরণ করে চলেছে বিপিএল। সহজ হিসাব; টস জিতবেন, ফিল্ডিং নিবেন, ম্যাচ জিতবেন। এই
প্রথা মেনেই চলছে এবারের বিপিএল। কিন্তু এই প্রথায় বাঁধ সাধে সিলেট পর্ব। সিলেট পর্বে
এ পর্যন্ত চারটি ম্যাচ অনুষ্টিত হলেও টস জেতা চার অধিনায়কই ঢাকার সমীকরণ কে ফলো
করে নিয়েছেন ফিল্ডিং, ব্যর্থ হয়েছেন রান তাড়ায়। ফলে সবগুলো ম্যাচ হেরেছেন!
ঢাকা পর্বের শেষদিনের শেষ ম্যাচে ফরচুন
বরিশালের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ডেভ হোয়াটমোর বলেন, 'আমি ভেবেছিলাম আট ম্যাচের মধ্যে
এই একটা ম্যাচ ভিন্ন হবে, হলো না।' অর্থাৎ এই প্রথা ভাঙার খুব কাছে
ছিল বরিশাল। তবে শেষ ওভারে ১৩ রান আটকাতে পারেনি তারা। কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে বরিশালের এই ম্যাচ দিয়ে গতকাল শেষ হয় ঢাকার প্রথম
পর্ব।
দিনের ম্যাচ লো স্কোরিং,
শিশিরে ভেজা উইকেট, ভেজা মাঠ, ভেজা বলের জন্য যা একটু রান দেখা গেছে রাতের ম্যাচে।
সিলেটের উইকেট কেমন হবে? তার একটু ধারণা দিতে গিয়ে সিলেট স্ট্রাইকার্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেছলেন, 'সিলেটে লাস্ট যে খেলাটা হয়েছিল, উইকেট ভালো হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক
ক্রিকেট আর ঘরোয়া- বিপিএলের শেষ বছরে ২০০ চেজ হইছে একবার। ডে-নাইট ম্যাচে আমার মনে
হয় না ম্যাটার করবে উইকেটে। সিলেটে আল্টিমেটলি ডে-নাইট ম্যাচে বোলাররা স্ট্রাগল করবেই,
সেখানে রান হবেই। আশা করি উইকেট ভালো হবে।' হয়েছেও তাই।
বিপিএলে এবার রানবন্যার উইকেটের
প্রতিশ্রুতি ছিল আয়োজকদের। তবে প্রথম দিনের পর আবার স্বরূপে মিরপুর। সিলেটেও
তাই। সিলেট স্ট্রাইকার্স বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানের ম্যাচ ছাড়া বাকি তিন মযাচেই
রানের দেখা পেয়েছে ব্যাটাররা।
আজকের সিলেট/মিমো
মিজান মোহাম্মদ 








