টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে।
এ উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববার (১৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার আজিম আখন্দের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ভাসানী পরিবারের পক্ষ থেকে মাজারে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
ইতোমধ্যেই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ অনেকেই মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন।
এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে। অন্যান্য দলের শীর্ষ নেতারাও আসবেন মাজার জিয়ারতে।
ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গত সাত দিনব্যাপী মেলা চলছে। মেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। রাতভর মাজার জিয়ারত, জিকির আজকার,দোয়া মাফফিলসহ আধ্যত্মিক গান পরিবেশন করেন ভক্তরা।
মজলুম জননেতা হিসেবে সুপরিচিত মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৪৯ সালে গঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মাওলানা ভাসানী।
জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে থেকে মওলানা ভাসানী দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশ ও জনগণের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গেছেন।
ব্যক্তি জীবনে ছিলেন নির্মোহ, অনাড়ম্বর ও অত্যন্ত সাদাসিধে।
শোষণ ও বঞ্চনাহীন, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জন্য ভাসানী আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তার আদর্শিক ঐক্য ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা ছিল। যদিও আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দেওয়ার পর তিনি এ দল ত্যাগ করে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) করেছিলেন।
আজকের সিলেট/ডি/এনই
নিউজ ডেস্ক 








