"গোপেশবাগ"হতে পারে পর্যটনের অন্যতম স্থান
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১০:৫৬ PM

মধ্যনগরে সম্ভাবনাময়

"গোপেশবাগ"হতে পারে পর্যটনের অন্যতম স্থান

অমৃত জ্যোতি, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) থেকে

প্রকাশিত: ১৮/০২/২০২৪ ০১:৪০:২২ AM

"গোপেশবাগ"হতে পারে পর্যটনের অন্যতম স্থান


সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদর ওয়ার্ডের বোয়ালা হাওরে করচের চারা রোপন করে বাগিচা সাজিয়েছেন বৃক্ষ প্রেমী গোপেশ সরকার। করচের বাগান সাজাতে প্রায় ৩হাজার চারা রোপণ করেছেন তিনি। খুব শিগ্রই আরো পাচশত চারা রুপন করবেন উদ্দোক্তা। মধ্যনগর উপজেলার পশ্চিম দিকে অবস্থান বোয়ালার হাওরের।করচ গাছগুলো মানুষের নজর কেড়েছে বেশ। মধ্যনগর ও কলমাকান্দা দুই উপজেলার সংযোগের মেঠো রাস্তার পাশ দিয়ে সাজিয়েছেন প্রকৃতির অংশ হিসেবে অপরুপ সাজে। সদর ওয়ার্ডের জমশেরপুর ও মাইজপাড়া গ্রামের বোরো জমির পাশের বোয়ালার কান্দাটি দেখতে খানিকটা ধনুকের ন্যায়।

জমশেরপুর গ্রামের গগন সরকারের একমাত্র ছেলে গোপেশ সরকার'র নিজ হাতে লাগানো করচের চারাগুলো প্রকৃতিকে যেন সাজিয়েছে অপরুপ সাজে।কৃষক,গবেষক ও প্রকৃতিমনা জনসাধারণ নাম দিয়েছেন "গোপেশ বাগ"। উদ্দোক্তা গোপেশ সরকার জানান প্রকৃতির উপর ভালবাসা আর ভারসাম্য রক্ষায় সামন্য প্রয়াস মাত্র। অর্থহীন সময়ে প্রায় তিন হাজার করচের চারাগাছ রোপন করি।শ্রমিক সহ যাহাতে প্রায় চার লক্ষ টাকা ব্যায় হয়েছে। আমি তৃপ্তি পাই তখনি দীর্ঘপাঁচ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল যখন দেখি গাছের পাতা গুলো সতেজ হয়।লোক মুখে শোনা যায়"গোপেশ বাগ"তখনই আনন্দে আত্মাহাড়া হই।আমার ইচ্ছে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকের পেনশন প্রকল্প শুরু করার।

পথচারীদের শীতল ছায়া,মনমাতানো দৃশ্য,এবং কৃষি মৌসুমে রৌদ্রময়ে স্বস্তির পান কৃষকরা। রোপিত"গোপেশ বাগান"চত্বরে সকলের সহযোগিতা পেলে একটি কৃষি প্রদর্শনী মেলা উদযাপনের।গাছের নকশায় মুজিববর্ষ অঙ্কিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।পর্যটন প্রদর্শনীর ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করার প্রস্তাব জানাই।প্রয়োজন প্রশাসনিক সহযোগিতা।হাওরে বৃক্ষ রোপনের উদ্যোগকে এলাকার সর্বমহলের জনগন স্বাগত জানিয়েছেন। গবেষক সজল কান্তি সরকার জানান হাওরগুলোতে সবুজ বনায়ন বিলুপ্ত প্রায়। গোপেশ সরকার বৃক্ষকে ভালবেসে এমন  উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন তাঁকে কৃতজ্ঞতার সহিত স্যালুট।সকলেই সজযোগীতা করলে "গোপেশবাগ"টি হতে পারে পর্যটন সম্ভাবনায় অন্যতম কেন্দ্র। মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা জানান আমার জানা ছিল না।আপনার মাধ্যমে জেনেছি। অবশ্যই প্রকৃতিমনা মানুষকে সকলের ভাল লাগবে।ভাল লাগবে চির সবুজের বৈচিত্র্যময়ীদৃশ্যকে।বাংলাদেশ সরকার বৃক্ষ রোপনের উপর জোর দিয়েছেন খুব বেশী।উপজেলার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।

আজকের সিলেট /১৮ ফেব্রুয়ারী /জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর