বন্যার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, পরে কান্নাকাটি করে একে অন্যকে দোষারোপ করা যাবে না। তাই সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে, বাঁধের কাজ নিশ্চিত করা চাই।
সোমবার ধর্মপাশা, মধ্যনগর, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ উপজেলার, বর্ধিত গুরমা, মহালিয়া,গুরমা, হেরাকান্দি, চন্দ্র সোনার তাল, হালিহাওর, ধারাম হাওরের অর্ধশতাধিক বেড়িবাঁধ ও ক্লোজার বাধ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে কামরুল বলেন, এখন নদী দেখছেন শান্ত কিন্তু একটা পর্যায়ে নদী এমন্ত শান্ত থাকবে না। একদিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অশান্ত করে দিবে পুরো হাওর এলাকা, তখন আর কাজ করার সময়ও পাবেন না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, ধর্মপাশা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শহীদুল্লাহ, তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম, সদর ইউপি চেয়ারম্যান জুনাব আলী, উপজেলা বিএনপি আহবায়ক বাদল মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল প্রমুখ।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এপি
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








