টানা ব্যর্থতার জেরে পাকিস্তানের একাদশে জায়গা হারিয়েছেন বাবর আজম। যদিও সহকারী কোচ আজহার মাহমুদের দাবি, বিশ্রাম দিতেই বসানো হয়েছে বাবরকে। তবে বাবরের জায়গায় সুযোগ পাওয়া কামরান গুলাম ঠিকই বাজি জিতে গেলেন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে আজ আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৫৯ রান করেছে পাকিস্তান। ১৯ রানে ২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর সাইম আইয়ুবের সঙ্গে জুটি গড়েন কামরান।
আইয়ুব ৭৭ রান করে বিদায় নিলেও কামরান তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ১৩তম পাকিস্তানি ব্যাটার হিসেবে নিজের অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিলেন ২৯ বছর বয়সী কামরান।
অথচ কামরানের এই টেস্ট খেলারই কথা ছিল না। কারণ পাকিস্তান দলের ব্যাটিং অর্ডারে ৪ নম্বর পজিশনটা বাবরের জন্য একপ্রকার নির্দিষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানের সময়ের সেরা এই ব্যাটারের সময়টা ভালো যাচ্ছিল না মোটেই। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর তারা ইংলিশদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টেও হেরেছে ইনিংস ও ৪৭ রানে।
টানা তিন টেস্টে অসহায় আত্মসমর্পণ করার পর নড়েচড়ে বসে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এমনকি পরিবর্তন আনা হয় নির্বাচক প্যানেলেও। তাদের সিদ্ধান্তেই বাবরের বদলে কামরানকে সুযোগ দেওয়া হয়। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাভাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করা এই ব্যাটার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৬টি সেঞ্চুরির মালিক। ব্যাটিং গড়ও ৫০-এর আশেপাশে। সেই অভিজ্ঞতা সঙ্গী করে তিনি আজ প্রথম সুযোগেই ১৯২ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় অনবদ্য সেঞ্চুরি তুলে নেন।
শেষ পর্যন্ত ১১৮ রানে সাজঘরে ফিরলেও দলকে শক্ত ভিত্তি এনে দিয়েছেন কামরান। সেই সঙ্গে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগটাও কাজে লাগিয়েছেন দারুণভাবে। এমন কীর্তির পর প্রশংসার বন্যায় ভাসছেন তিনি। উল্টোদিকে বাবরকে লক্ষ্য করে ধেয়ে আসছে একের পর এক কটাক্ষ। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাকে 'গলির ক্রিকেটার' বলে অপমান করছেন অনেকেই। অনেকে বলেছেন, বাবর আজমের জায়গা 'খেয়ে' দিচ্ছেন কামরান।
আজকের সিলেট/বিএন/ডি/এসটি
ক্রীড়া ডেস্ক 








