রায়ান বার্লের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ২৮ রানে জয় পেল দুর্বার রাজশাহী। এ নিয়ে ৫ ম্যাচে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল তারা।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান তুলে দুর্বার রাজশাহী।
১৭৯ রান তাড়া করতে নেমে ৬ রানেই সাজঘরের পথ ধরেন ইউলিয়াম। তাহসিনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি ৫ বলে ৬ রান করেন তিনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে খুলনা টাইগার্স। মোহাম্মদ নাঈম ২৮ বলে ২৪, আফিফ হোসেন ৩০ বলে ৩৩ রান, মহিদুল ইসলাম ১১ বলে ১৮ রান, ইমরুল কায়েস ৬ বলে ১৭ রান ও নামুস ১৫ বলে ১৮ রান ব্যতীত উল্লেখযোগ্য সংগ্রহ কেউ দাঁড় করাতে পারেন নি।
রাজশাহীর পক্ষে ২ ওভার হাত ঘুরিয়ে রায়ান ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট, সোহাগ গাজী ৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট ও তাকসিন ৩.৩ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন।
এর আগে, খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহীকে দারুণ শুরু এনে দেন মোহাম্মদ হারিস এবং জিশান আলম। তবে দলীয় ৪৪ রানে ২০ বলে ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন হারিস।
তিনে নেমে এনামুল হক বিজয়-ও আলো ছড়াতে পারেননি। ৮ বলে ৭ রান করে ফেরেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
এরপর দুই অঙ্কের কোটা পেরোনোর আগেই ফেরেন এস এম মেহরাব (৭ বলে ৫)। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ২২ বলে ২৩ রান করে জিশান ফিরলে দলীয় ৬৭ রানেই ৪ উইকেট হারায় রাজশাহী।
এরপর দলের হাল ধরেন ইয়াসির আলী রাব্বি ও রায়ান বার্ল। তাদের ব্যাটে ভর করে ইনিংসের ১৮তম ওভারে দেশড় রানের কোটা পার করে রাজশাহী। তবে হাফ-সেঞ্চুরি ছোঁয়ার আগেই ২৪ বলে ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন রাব্বি।
শেষদিকে আকবরের ৯ বলে ২১ রানের ক্যামিও এবং বার্লের অপরাজিত ৪৮ রানে ভর করে ১৭৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় রাজশাহী।
খুলনার হয়ে দুটি উইকেট শিকার করেন নাসুম আহমেদ। এ ছাড়া মোহাম্মদ নাওয়াজ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও আবু হায়দার রনি একটি করে উইকেট নেন।
রায়ান বার্লের অলরাউন্ড নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচ সেরার পুরষ্কার পান।
আজকের সিলেট/ মিমো
মিজান মোহাম্মদ 








