নগরীর চৌকিদিঘি এলাকায় ট্রাফিক আইন জনসচেতনতা মূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে গোল্ডেন ড্রীম ইউকের চেয়ারম্যান কামরুন্নেছা খানম শোভা মতিনের সভাপতিত্বে ও সাবেক সেনা সদস্য নূরুল হকের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি (ট্রাফিক ) বলেন, সিলেট শহরের প্রধান সমস্যা হল যানজট। এই সিলেট শহরের যানজট নিয়ে সিটি করপোরেশনে আমাদের একটি সভা হয়েছে। সিলেট শহরে এই মুহূর্তে চল্লিশ হাজার সিএনজি রয়েছে এর মধ্যে উনত্রিশ হাজার দুইশো বত্রিশটি সিএনজি লাইসেন্স আছে আর বাকি একুশ হাজারের মত অবৈধ সিএনজি রয়েছে যে গুলো মামলা দেয়ার পর তারা মুছলেখা দিয়ে বলে আর শহরের ভিতরে তারা চালাবেন না। কিন্তু তারা সে কথা রাখে না। এছাড়া অটোরিকশা ও টমটম যেগুলো যানজট সৃষ্টি করে বেশি যার ফলে আমরা সিলেট শহরের ভিতরে এসব গাড়ি চলতে দেয়া হয় না।
তিনি বলেন, ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কোন ব্যবস্থা নাই বিশ্রাম নেয়ার জন্য। গাড়ি নেই রাস্তা ফাঁকা এ সময়টা যাতে সে বসে বিশ্রাম নিতে এ রকম কোন ট্রাফিক পুলিশ বক্স নেই। ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে চত্বর গুলো করা হয় নি যার ফলে যানজট সৃষ্টি হয় কারণ গাড়ি গুলো কোন দিক দিয়ে যাবে এ রকম পরিকল্পনা করে চত্বর করা হয় নি। সিএনজি চালকরা বায়ে সাইড না করে রাস্তার মাঝেই সাইড করে। ক্বীন ব্রীজ বন্ধ থাকায় শাহজালাল ব্রীজে গাড়ি চলাচলে চাপ বেড়েছে যার ফলে যানজট কিছুটা বেড়েছে। আমি একজন উপ পুলিশ কমিশনার আমি আমার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করব এবং আমি কোন অন্যায় কাজ কে সমর্থন করি না। যদি সিএনজি চালকরা আইন মেনে চলে তাহলে কোন ট্রাফিক সিএনজি চালক কে কোন সমস্যা করবে না । তারপর যদি কেউ অবৈধ ভাবে আপনাদের কাছে কেউ কিছু দাবি করে আমাকে অভিযোগ দিবেন আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সকল সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে একটি সুন্দর নগরী গড়া সম্ভব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- লন্ডন টাওয়ার হ্যালমেটসের সাবেক কাউন্সিলর জিনাত রহমান, রোটারিয়ান প্রেসিডেন্ট এম এ মতিন, আম্বরখানা শ্রমিক ফেডারেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, গোল্ডেন ড্রীম ইউকের বিশ্বনাথ প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম (ইমন) প্রমূখ।
আজকের সিলেট/এফএম/এসটি
নিজস্ব প্রতিবেদক 








