তেজা নিদামানুরু ও স্কট এডওয়ার্ডসের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছিল নেদারল্যান্ডস। তবে এই জুটিকে বেশি দূর যেতে দিলেন না জাকের আলি অনিক। দুর্দান্ত এক ক্যাচে এডওয়ার্ডসকে ফিরিয়ে দিলেন অনিক।
দশম ওভারে সাইফ হাসানকে আক্রমণে আনেন লিটন কুমার দাস। দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি হজম করে কিছুটা চাপে পড়ে যান দীর্ঘ দিন পর খেলতে নামা সাইফ। তবে চতুর্থ বলেই তিনি পেয়ে গেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের ১ হাজার ৩৮০ দিন পর অবশেষে প্রথম উইকেটের দেখা পান সাইফ।
বলটি অবশ্য তেমন ভালো ছিল না। লেগ স্টাম্পের বলের প্রাপ্য সাজা দিতেই সুইপ করেন এডওয়ার্ডস। মনে হচ্ছিল বাউন্ডারি পেয়েই যাবেন। কিন্তু ডিপ স্কয়ার লেগে অনেক দৌড়ে শেষ মুহূর্তে ফুল লেংথ ডাইভ দিয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিলেন জাকের।
১ চারে ৭ বলে ১২ রান করে আউট হলেন এডওয়ার্ডস।
ওভারের শেষ বলে আরেক সেট ব্যাটসম্যান তেজা নিদামানুরুকেও আউট করেন সাইফ। বড় শটের খোঁজে ডিপ মিড উইকেটে তাওহিদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দেন ২৬ বলে ২৬ রান করা নিদামানুরু।
ক্রিজে এখন দুই নতুন ব্যাটসম্যান শরিজ আহমাদ ও নোয়াহ ক্রোয়েস।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০ ওভারে নেদারল্যান্ডসের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৬৮ রান।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে শেখ মেহেদি হাসানের বোলিংয়ে ৩ রানের বেশি নিতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। পরের ওভারে শরিফুল ইসলামের ওপর ঝড় তোলেন ও'ডাউড। দারুণ ব্যাটিংয়ে তিনটি চার মারেন ডাচ ওপেনার।
মেহেদির পরের ওভারে ম্যাচের প্রথম ছক্কা মেরে দেন ও'ডাউড। অভিজ্ঞ ওপেনারের সৌজন্যে ভালো শুরুর আশা দেখতে শুরু করে সফরকারীরা।
তবে ও'ডাউডকে টিকতে দেননি তাসকিন আহমেদ। চতুর্থ ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম বলেই তাকে ড্রেসিং রুমে ফেরত পাঠান অভিজ্ঞ পেসার।
তার স্টাম্পের ওপর করা ডেলিভারি অন সাইডে খেলার চেষ্টায় লিডিং এজ হয় ও'ডাউডের। শর্ট কাভারে সহজ ক্যাচ নেন জাকের আলি অনিক। উল্লাসে ফেটে পড়েন তাসকিন।
৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ২৩ রান করে ফেরেন ও'ডাউড।
পঞ্চম ওভারে আবার আক্রমণে আসেন শরিফুল। আগের ওভারে ১৩ রান খরচ করা তরুণ পেসার ঘুরে দাঁড়ান দারুণভাবে। এবার কোনো রানই দেননি তিনি। করেন মেডেন ওভার।
পরে পাওয়ার শেষ ওভারে উইকেটের সম্ভাবনা জাগান মুস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু কাভারে অল্পের জন্য ক্যাচ নাগাল পাননি তাওহিদ হৃদয়। তাই বেঁচে যান তেজা নিদামানুরু।
প্রথম ৩ ওভারে ২৫ রান করে ফেলেছিল নেদারল্যান্ডস। সেখান থেকে পরের ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করেছে বাংলাদেশ।
পরে অষ্টম ওভারে বিক্রমজিতকে ফিরিয়ে আবার আনন্দে ভাসেন তাসকিন। নিজের প্রথম ওভারের মতো দ্বিতীয় ওভারেও প্রথম বলে উইকেট নেন অভিজ্ঞ পেসার। মাত্র ১১ বলে ৪ রান করে ফেরেন বিক্রমজিত।
এরপর মাত্র ১৫ বলে ২৮ রানের জুটিতে রানের গতি বাড়ান এডওয়ার্ডস ও নিদামানুরু। কিন্তু সাইফের জোড়া আঘাতে আবার চাপে তারা।
আজকের সিলেট/এপি
ক্রীড়া ডেস্ক 








