সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর পাকিস্তান সফরে গিয়ে হোয়াইটওয়াশড- পরপর দুই সিরিজে এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে এবার সিরিজ জয়ে হ্যাটট্রিক করে ফেলল লিটন কুমার দাসের দল।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নেদারল্যান্ডসকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জয়ের এই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করল বাংলাদেশ। ১০৪ রানের লক্ষ্য ছুঁতে লিটন, তানজিদ হাসান তামিমদের লাগল মাত্র ১৩.১ ওভার।
এর আগে দুবার সিরিজ জয়ের হ্যাটট্রিক করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। ২০২২-২৩ মৌসুমে টানা চার সিরিজে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডকে হারায় তারা। আর ২০২১ সালে টানা তিন সিরিজে তাদের শিকার হয় জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ড।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজ জয় নিশ্চিতের ম্যাচে রান তাড়ায় উদ্বোধনী জুটিতে ৪০ রান যোগ করেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তামিম। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আউট হন ২১ বলে ২৩ রান করা ইমন। ৩ চারের সঙ্গে ১টি ছক্কা মারেন তিনি।
এরপর আর উইকেট পড়তে দেননি লিটন ও তামিম। অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৪৬ বলে ৬৪ রান যোগ করে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা।
৩১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ ফিফটিতে ৪০ বলে ৫৪ রান করেন তামিম। ৪ চারের সঙ্গে ২ ছক্কায় সাজান নিজের ইনিংস। আগের ম্যাচে ঝড়ো ফিফটি করা লিটন এবার খেলেন ১৮ বলে ১৮ রানের ইনিংস।
এর আগে টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। তৃতীয় ওভারে বল হাতে নিয়ে পরপর দুই বলে দুই উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। পাওয়ার প্লের মধ্যে আরেক ব্যাটারকে ফেরান তাসকিন।
বাঁহাতি ওপেনার বিক্রমজিত সিং করেন ১৭ বলে ২৪ রান। স্বীকৃত ব্যাটারদের মধ্যে আর কেউই তেমন কিছু করতে পারেননি। তাসকিনের প্রথম বলে জীবন পেয়েও ১৭ বলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি শরিজ আহমাদ।
মাত্র ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর নামেন আরিয়ান। একপ্রান্ত আগলে রেখে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ বলে ৩০ রান করেন তিনি। ১৮তম ওভারে আরিয়ানকে বোল্ড করে নেদারল্যান্ডসের ইনিংস গুটিয়ে দেন শেখ মেহেদি হাসান।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা নাসুম। এছাড়া তাসকিন ও মুস্তাফিজুর রহমানের শিকার ২টি করে উইকেট।
আজকের সিলেট/এপি
ক্রীড়া ডেস্ক 








