ক্রাইস্টচার্চে রোববার জমজমাট প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ৭ রানের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। অসম গতির উইকেট, বলের সুইং আর বাড়তি মুভমেন্ট সব মিলিয়ে ব্যাটসম্যানদের পরীক্ষা নিয়েছে পিচটি। এমন কঠিন কন্ডিশনে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি খেললেন ড্যারিল মিচেল। তার ১১৯ রানের ইনিংসই কিউইদের লড়ার মতো সংগ্রহ এনে দেয়।
টস হেরে আগে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড তোলে ২৬৯ রান। ইনিংসের শুরুতেই তারা চাপে পড়ে যায়। সপ্তম ওভারে টানা দুই বলে রাচিন রাভিন্দ্র ও উইল ইয়াংকে কট বিহাইন্ড করান ম্যাথু ফোর্ড। এরপর ডেভন কনওয়েকে নিয়ে দলকে সামলে নেন মিচেল। কনওয়ে ৪৯ রান করলেও ফিফটি হাতছাড়া হয়। একের পর এক সঙ্গী বদলালেও মিচেলের ব্যাট থামে না। ৬১ বলে ফিফটি, পরে চার মেরে তিন অঙ্ক স্পর্শ করে দুই বছর পর পাওয়া শতকটিকে স্মরণীয় করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সিলসের বলে ছক্কার চেষ্টা করতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন মিচেল। শেষ দিকে জ্যাকারি ফোকস ১৬ বলে ২২ রান করে দলের স্কোর কিছুটা টেনে দেন।
লক্ষ্য তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুতেই ধাক্কা খায়। ছয় বছর পর ওয়ানডে খেলতে নেমে জন ক্যাম্পবেল মাত্র ৪ রান করে ফেরেন। এরপর আথানেজ ও কার্টির ৬০ রানের ধীর জুটি কিছুটা চাপ কমায়। পরে শেরফেন রাদারফোর্ডের ৫৫ রানের ইনিংসে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ক্যারিবীয়রা। শেই হোপের সঙ্গে তার জুটিতেও আসে রান। কিন্তু প্রয়োজনীয় সময়ে কেউই বড় ইনিংস খেলতে না পারায় ধীরে ধীরে ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায়।
শেষ তিন ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ৪৫ রান। গ্রেভস ও শেফার্ড কয়েকটি বল দারুণভাবে বাউন্ডারিতে পাঠালেও শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ২০ রানের মধ্যে করতে পারে ১২। ফলে ২৬২ রানে থেমে যায় তারা।
নিউজিল্যান্ডের কাইল জেমিসন ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেডেন সিলস দুজনই প্রতিপক্ষের বিরুদ্দে তিনটি করে উইকেট নেন। আগামী বুধবার ন্যাপিয়ারে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে দুই দল।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
ক্রীড়া ডেস্ক 












