সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএলের ১২তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে সিলেট টাইটান্স ।
ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল সিলেট। ওপেনিংয়ে নেমে সাইম আইয়ুব শুরু থেকেই রাজশাহীর বোলারদের ওপর চড়াও হন।
মাত্র ১৫ বল খেলে ২টি ছক্কা ও ৩টি চারে ২৮ রান করে তিনি আউট হন। পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত রান তোলার ভিত গড়ে দেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তবে অন্যপ্রান্তে রনি তালুকদার খানিকটা স্থির ভূমিকা রাখেন। প্রয়োজন অনুযায়ী স্ট্রাইক ঘুরিয়ে ও ফাঁকা জায়গা খুঁজে রান তুলতে থাকেন তিনি।
৩৪ বল মোকাবিলা করে ৪টি চারের সাহায্যে ৪১ রান করে রনি বিদায় নেন সন্দীপ লামিচানের বলে।
এরপর ক্রিজে আসেন আফগান ব্যাটার হজরতউল্লাহ জাজাই। শুরুতে কিছুটা সময় নিলেও পরে হাত খুলে খেলতে চেষ্টা করেন তিনি। তবে বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি জাজাই।
১৮ বলে ২০ রান করে লামিচানের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি৷ তাতে মাঝের ওভারে কিছুটা চাপে পড়ে সিলেট।
সেই চাপ সামলে দলকে আবার এগিয়ে নেন পারভেজ হোসেন ইমন। শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন তিনি। বাউন্ডারির পাশাপাশি নিয়মিত সিঙ্গেল-ডাবল নিয়ে রানরেট ধরে রাখেন ইমন। তার সঙ্গে যোগ দেন আফিফ হোসেন।
দুজনে মিলে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা চালান। আফিফ ১৯ বলে ৩৩ রান করে রানআউট হলেও ততক্ষণে সিলেট বড় সংগ্রহের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে।
শেষের ওভারগুলোতে পুরোপুরি একক নায়ক হয়ে ওঠেন ইমন। রাজশাহীর বোলারদের কোনো সুযোগ না দিয়ে একের পর এক বড় শট খেলেন তিনি। মাত্র ৩৩ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ঝকঝকে ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৫টি ছক্কা। তার ব্যাটেই শেষ পাঁচ ওভারে ৬৫ রান যোগ করে সিলেট। এটাই এবারের বিপিএলে প্রথম ফিফটি।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বোলারদের মধ্যে সন্দীপ লামিচানে ছিলেন সবচেয়ে সফল। তিনি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুটি উইকেট তুলে নেন। তবে শেষ দিকে বোলাররা ছন্দ হারালে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় সিলেটের হাতে। অতিরিক্ত থেকে আসে ৩ রান।
আজকের সিলেট/এএসআর
ক্রীড়া ডেস্ক 








