আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে স্বাগতিক মরক্কোর কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলেন ব্রাহিম দিয়াজ। গতকাল রাতে রাবাতে তানজানিয়ার বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে তার একমাত্র গোলে জয় পায় মরক্কো। ম্যাচজুড়ে বলের দখলে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল মরক্কোর। তবে বেশ কয়েকবার বড় অঘটনের মুখে পড়তে পারত স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ব্রাহিমের দুর্দান্ত এক শটে শেষ আটে ওঠার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখে ওয়ালিদ রেগরাগুইয়ের দল।
ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে ডান পাশ দিয়ে আক্রমণে উঠে আসেন ব্রাহিম। অধিনায়ক আশরাফ হাকিমির কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর জায়গা করে নেন রিয়াল মাদ্রিদের এই উইঙ্গার। সবাই যখন ক্রসের অপেক্ষায়, তখন প্রায় অসম্ভব কোণ থেকে জোরাল শটে বল জালে পাঠান তিনি। চলতি আসরে এটি ছিল ব্রাহিম দিয়াজের চতুর্থ গোল, যার ফলে তিনিই এখন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
এর আগে-পরে আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করে মরক্কো। ইসমাইল সাইবারির হেডে একবার বল জালে গেলেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। আইয়ুব এল কাবিও দুই দফা ভালো সুযোগ পেয়েও ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হন।
তবে মরক্কোর সৌভাগ্য, তানজানিয়াও নিজেদের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। ম্যাচের শুরুতেই খালি পোস্টে হেড করার সুযোগ পেয়েছিলেন সিমন এমসুভা, কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হন তিনি। ৫৫তম মিনিটে আরও বড় সুযোগ নষ্ট করেন ফেইসাল সালুম। মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর কাছ থেকে প্রতিহত হওয়া শট ফিরে পেয়ে ১০ মিটার দূর থেকে ফাঁকা জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন এই মিডফিল্ডার।
শেষদিকে আশরাফ হাকিমির নেওয়া একটি ফ্রি কিক গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপরই স্বস্তির গোলটি এনে দেন ব্রাহিম।
ম্যাচ শেষে মরক্কোর জয়ের নায়ক ব্রাহিম বলেন, ‘প্রতিযোগিতা এখন আরও কঠিন হয়ে উঠছে। তানজানিয়া খুবই শক্ত প্রতিপক্ষ ছিল। সবকিছু পরিকল্পনা মতো হয়নি, কিন্তু আমরা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
এই জয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে মরক্কোর প্রতিপক্ষ ক্যামেরুন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় নিয়ে শেষ আটে উঠেছে পাঁচবারের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের দুই অর্ধে জুনিয়র চামাদেউ ও কিশোর ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ান কোফানের গোলেই জয় নিশ্চিত করে তারা। শেষ দিকে এভিডেন্স মাকগোপর গোলে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যবধান কমালেও ম্যাচের ভাগ্য বদলাতে পারেনি।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
ক্রীড়া ডেস্ক 








