বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দুই রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি হঠাৎ করে একতরফাভাবে পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না। তবে কোনো চুক্তি বাস্তবায়নের সময় যদি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কিছু প্রতিভাত হয়, তাহলে সেই চুক্তির ধারার মধ্যেই সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।
শুক্রবার সকালে সিলেট বিমানবন্দরের পাশে জেলা পরিষদের ন্যাচারাল পার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকেরা সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, চুক্তি হয় দুইটা দেশের মধ্যে। যদি দুইজন ব্যক্তির মধ্যে চুক্তি হতো, তাহলে হয়তো চট করে সেটি রদবদল করা যেত। কিন্তু দুইটা রাষ্ট্র দুইটা সার্বভৌম সত্তা। তারা যখন চুক্তি করে, তখন সেটা ইচ্ছামতো পরিবর্তন করা যায় না।
তিনি বলেন, একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে দুই পক্ষের স্বার্থই বিবেচনায় রাখা হয়। কিছু ধারা এক পক্ষের জন্য অনুকূল হয়, আবার কিছু ধারা অন্য পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়। এভাবেই দুই দেশের মধ্যে একটি “উইন সিচুয়েশন” তৈরির চেষ্টা থাকে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, চুক্তি যেটি হয়েছে, সেটির বাস্তবায়নের সময় যদি এমন কিছু সামনে আসে বা প্রতিভাত হয় যে এটি বাংলাদেশের স্বার্থের অনুকূলে নয়, তাহলে সেই ধারা সংশোধনের সুযোগ চুক্তির ভেতরেই রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ক্ষেত্রে আবেগ নয়, বাস্তবতা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকেই গুরুত্ব দিতে হয়। কারণ রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি বিষয়।
এর আগে সকালে সিলেট জেলা পরিষদের ন্যাচারাল পার্ক ঘুরে দেখেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আজকের সিলেট/এপি
নিউজ ডেস্ক 








