সুনামগঞ্জের শাল্লায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে শাল্লা থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং তিনজন আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু রয়েছে।
শনিবার শাল্লা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, শাল্লা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রুজুকৃত মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত প্রাপ্তবয়স্ক চার আসামি হলেন-শাল্লা উপজেলার ডুমরা গ্রামের দীগেন্দ্র দাসের ছেলে দীপ্ত দাস (১৯), রন্টু সরকারের ছেলে অনিক সরকার (১৯), সংগ্রাম কুমার দাসের ছেলে সৌমিত্র দাস (১৯) এবং অনাদি তালুকদারের ছেলে বর্ষণ তালুকদার (১৯)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তারা সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এছাড়া একই মামলার ঘটনায় আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু হিসেবে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলো—ডুমরা গ্রামের বাবুল চন্দ্র দাসের ছেলে দেব দাস প্রকাশ রুপম কান্তি দাস (১৬), আনন্দপুর গ্রামের নিশি মাস্য দাসের ছেলে ইমন মাস্য দাস (১৬) এবং ডুমরা গ্রামের বাদল সরকারের ছেলে অভি সরকার (১৬)।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুদের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাল্লা থানা পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযানটি থানার নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমের অংশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, শাল্লা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশুদের ক্ষেত্রে শিশু আইন ও প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শাল্লা থানা পুলিশের এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে মামলার এজাহারভুক্ত সাত আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








