জাফলংয়ে মানুষের সহায়তায় মানবতার দেয়াল স্থাপন
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:৩২ AM

জাফলংয়ে মানুষের সহায়তায় মানবতার দেয়াল স্থাপন

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮/০১/২০২৪ ০৮:৩১:২১ AM

জাফলংয়ে মানুষের সহায়তায় মানবতার দেয়াল স্থাপন

জাফলংয়ে মানুষের সহায়তায় মানবতার দেয়াল স্থাপন


জাফলংয়ে হত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের উদ্যোগে মানবতার দেয়াল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাজের বিত্তবানদের ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় বস্ত্র গ্রহণ করে তা হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সহ-সভাপতি ইসমাইল আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল আমিন ইসলামের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আমির হোসেন, প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রসেসের সাবেক সভাপতি সাকেল আহেমদ, পূর্ব কালিনগর সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ কুরবানসহ সংঘঠনের নেতৃবৃন্দ।

গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের রেজিস্ট্রেশন কালীন সভাপতি মো. করিম মাহমুদ লিমন বলেন, ইদানীং অনেকের মধ্যেই কোনো সমস্যা দেখেও তা পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার মানসিকতা বেড়েছে। ভাবখানা এমন যে, এটা তো আমার সমস্যা নয়। অথচ চারপাশে যে সমস্যা রয়েছে, তা যে কাউকেই আক্রান্ত করতে পারে। তবে সবাই পাশ কাটিয়ে যান না। এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা নিজের সাধ্য অনুযায়ী সমস্যা সমাধানে উদ্যোগও নিয়ে থাকেন। এমনই একটি উদ্যোগ নিয়েছে জাফলংয়ের অন্যতম সামাজিক সংগঠন মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ। সম্প্রতি তাঁরা মানুষের কল্যাণে মানবতার দেয়াল গড়ে তুলেছেন।

মানবতার দেয়ালের একদিকে রয়েছে আপনার অপ্রয়োজনীয় জিনিস এখানে রেখে যান, অন্যদিকে রয়েছে আপনার প্রয়োজনীয় জিনিস এখান থেকে নিয়ে যান। উদ্যোক্তারা অনেক সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাপড় আনছেন, কেউ কেউ উৎসাহিত হয়ে কাপড় পরিষ্কার করে দিয়ে যাচ্ছেন, কখনও স্কুল-কলেজে গিয়ে তাঁরা কাপড় সংগ্রহ করেন। প্রথমে তাঁরা তা সংগ্রহ করেন, তারপর ধোলাই করে রেখে যান প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহের স্থানে। এখান থেকে প্রয়োজনের কাপড়টি সংগ্রহ করছেন বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষ।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমির হোসেন বলেন, মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের এ মহৎ উদ্যোগটি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে; অনেক মানুষ এখান থেকে কাপড় নিয়ে যাচ্ছে। এই এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। মামা বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন ইসলাম বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি এখান থেকে কাপড় নিয়ে যান, দিয়ে যান এবং পরিধান করেন তখন সদস্যদের মনে ভালো লাগা কাজ করে, খুঁজে পান সার্থকতা। সমাজে অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা কাপড় দিয়ে সহায়তা করতে চান। কিন্তু কাকে দেবেন, যাকে দেবেন তার দরকার আছে কিনা জানা নেই। ফলে অনেক সময় বিড়ম্বনারও শিকার হতে হয়। মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ মূলত মধ্যস্থতা করছে একজনের অপ্রয়োজনীয় কাপড়টি দিয়ে অপরের প্রয়োজন মেটানোর মাঝে। যাঁরা দিতে চাচ্ছেন তাঁদের কাছে সংগ্রহ করছেন আর যাঁরা নিতে চাচ্ছেন তাঁদের নিয়ে যেতে সহায়তা করছেন। তাঁরা কেউ কাউকে চিনছেন না। ফলে কাজটি হচ্ছে সুচারুভাবে। কেউ দিতেও সংকোচবোধ করছেন না। কেউ নিতেও লজ্জা পাচ্ছেন না। কেউ কেউ আবার পুরোনো কাপড় ধোলাই করার টাকা দিয়ে সহায়তা করেন।


জাফলংয়ে হত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের উদ্যোগে মানবতার দেয়াল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাজের বিত্তবানদের ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় বস্ত্র গ্রহণ করে তা হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।


মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সহ-সভাপতি ইসমাইল আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল আমিন ইসলামের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আমির হোসেন, প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রসেসের সাবেক সভাপতি সাকেল আহেমদ, পূর্ব কালিনগর সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ কুরবানসহ সংঘঠনের নেতৃবৃন্দ।


গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের রেজিস্ট্রেশন কালীন সভাপতি মো. করিম মাহমুদ লিমন বলেন, ইদানীং অনেকের মধ্যেই কোনো সমস্যা দেখেও তা পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার মানসিকতা বেড়েছে। ভাবখানা এমন যে, এটা তো আমার সমস্যা নয়। অথচ চারপাশে যে সমস্যা রয়েছে, তা যে কাউকেই আক্রান্ত করতে পারে। তবে সবাই পাশ কাটিয়ে যান না। এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা নিজের সাধ্য অনুযায়ী সমস্যা সমাধানে উদ্যোগও নিয়ে থাকেন। এমনই একটি উদ্যোগ নিয়েছে জাফলংয়ের অন্যতম সামাজিক সংগঠন মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ। সম্প্রতি তাঁরা মানুষের কল্যাণে মানবতার দেয়াল গড়ে তুলেছেন।


মানবতার দেয়ালের একদিকে রয়েছে আপনার অপ্রয়োজনীয় জিনিস এখানে রেখে যান, অন্যদিকে রয়েছে আপনার প্রয়োজনীয় জিনিস এখান থেকে নিয়ে যান। উদ্যোক্তারা অনেক সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাপড় আনছেন, কেউ কেউ উৎসাহিত হয়ে কাপড় পরিষ্কার করে দিয়ে যাচ্ছেন, কখনও স্কুল-কলেজে গিয়ে তাঁরা কাপড় সংগ্রহ করেন। প্রথমে তাঁরা তা সংগ্রহ করেন, তারপর ধোলাই করে রেখে যান প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহের স্থানে। এখান থেকে প্রয়োজনের কাপড়টি সংগ্রহ করছেন বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষ।


বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমির হোসেন বলেন, মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের এ মহৎ উদ্যোগটি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে; অনেক মানুষ এখান থেকে কাপড় নিয়ে যাচ্ছে। এই এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। মামা বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন ইসলাম বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি এখান থেকে কাপড় নিয়ে যান, দিয়ে যান এবং পরিধান করেন তখন সদস্যদের মনে ভালো লাগা কাজ করে, খুঁজে পান সার্থকতা। 


সমাজে অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা কাপড় দিয়ে সহায়তা করতে চান। কিন্তু কাকে দেবেন, যাকে দেবেন তার দরকার আছে কিনা জানা নেই। ফলে অনেক সময় বিড়ম্বনারও শিকার হতে হয়। মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ মূলত মধ্যস্থতা করছে একজনের অপ্রয়োজনীয় কাপড়টি দিয়ে অপরের প্রয়োজন মেটানোর মাঝে। যাঁরা দিতে চাচ্ছেন তাঁদের কাছে সংগ্রহ করছেন আর যাঁরা নিতে চাচ্ছেন তাঁদের নিয়ে যেতে সহায়তা করছেন। তাঁরা কেউ কাউকে চিনছেন না। ফলে কাজটি হচ্ছে সুচারুভাবে। কেউ দিতেও সংকোচবোধ করছেন না। কেউ নিতেও লজ্জা পাচ্ছেন না। কেউ কেউ আবার পুরোনো কাপড় ধোলাই করার টাকা দিয়ে সহায়তা করেন।

আজকের সিলেট/১৯ জানুয়ারি/এস এইচ বি/জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর