টাটকা খেজুর রসের স্বাদ পেতে প্রচন্ড শীত আর কুয়াশা উপেক্ষা করে ভোরবেলা হবিগঞ্জে চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই ভিড় করছে মানুষ।
চুনারুঘাট উপজেলার শাকিল মোহাম্মদের গাছি রহমত আলী জানান, প্রতিদিন ভোর ৬ টা থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল ও সিএনজি অটোরিকশা যোগে নারী পুরুষ এসে রস নিতে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১৫/২০টি গাছে ঝুলে থাকা রসের হাঁড়ি নামিয়ে আনেন তিনি। এ সময় নিচে অপেক্ষা করেন
শীতের সকালে খেজুর রসের জন্য। টাটকা রসের স্বাদ নিতে আসা নানা বয়সী লোকজন। খেজুরের রস শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিড় লেগেই থাকে। খেজুরের রস খাওয়ার পাশাপাশি খেজুর গাছ এবং খেজুরের রস নিয়ে ছবিও তোলেন অনেকে। খাঁটি খেজুরের রস শহরে পাওয়া যায় না, এমনকি গ্রামেও সচরাচর দেখা যায় না। শোনা যায় না চিরচেনা সে সুমধুর স্বর- খেজুরের রস নিবেন?
খেজুরের রস। কোথাও কোথাও খেজুরের গুড় পাওয়া গেলেও দাম তুলনামূলক বেশি। তাই খেজুরস গাছ যেখানে বেশি, সেখান থেকেই লোকজনকে খেজুরের গুড় সংগ্রহ করতে বেশি দেখা যায়।
খেজুরের রস নিতে আসা হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল গ্রামের ফয়সাল মিয়া জানান, গত ৩ বছরে ধরে তার কাছ থেকে খেজুরের রস নিজে খেয়ে যাই আর পরিবারের জন্য নিয়ে যাই। সরাসরি রস নিতে পারি তাতে কোনো ভেজাল নেই মনে করি।
শীতের শুরুতে খেজুর রস লিটার ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও চাহিদার কারণে দাম বেড়ে এখন লিটার ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন বলে জানান রহমত আলী। প্রায় ১৫/২০টি গাছ থেকে পর্যায়ক্রমে খেজুরের রস নামানো হলেও রস পাইকারি বিক্রির সুযোগ থাকে না, কারণ খুচরা বিক্রি করেই সব শেষ হয়ে যায় বলে জানান তিনি।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এসটি
মোহাম্মদ শাহ আলম, হবিগঞ্জ থেকে 








