চা উৎপাদনে বাংলাদেশের রেকর্ড
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১১:২৮ AM

চা উৎপাদনে বাংলাদেশের রেকর্ড

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১/০১/২০২৪ ০৮:১৯:০০ AM

চা উৎপাদনে বাংলাদেশের রেকর্ড


চা উৎপাদনে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালে দেশের ১৬৮টি চা-বাগান থেকে ১০ কোটি ২৯ লাখ কেজি চা উৎপাদনের মধ্য দিয়ে এ রেকর্ড গড়া হয়। এটি বাংলাদেশে চা চাষের ১৭০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উৎপাদন। রেকর্ড ভঙ্গকারী এ অর্জনে মহাখুশি চা উৎপাদনে সংশ্লিষ্টরা। উপযুক্ত আবহাওয়া, সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও পুরোনো গাছ সরিয়ে নতুন চারা রোপণের কারণে ইতিবাচক ফল এসেছে বলে মনে করছেন উৎপাদন সংশ্লিষ্টরা। এখন থেকে চা রপ্তানি কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

জানা যায়, দেশের ১৬৮টি চা বাগানের মধ্যে ১৩৬টিই রয়েছে সিলেটে। ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনি ছাড়া চা-বাগান থেকেই বাংলাদেশের চা উৎপাদন শুরু হয়। তবে উৎপাদনের রেকর্ড গড়লেও সিন্ডিকেটের কারণে বাগান মালিকরা চা-পাতার কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন।

চা-বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও এবারই প্রথম লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফলতা এসেছে। ২০২৩ সালে দেশের বাগানগুলো থেকে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি। সেই হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আরো ৯ লাখ কেজি বেশি চা উৎপাদন হয়েছে। ২০২১ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়। ২০২২ সালে ১০ কোটি কেজি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও উৎপাদিত হয় ৯ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার কেজি।

বাংলাদেশ চা-বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম এনডিসি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সবার সমন্বিত চেষ্টার ফলে এবার সব রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭-১৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবেশী ভারত, শ্রীলঙ্কা ও কেনিয়াসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় দেশের চা উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম ছিল। চা-বোর্ডের নানা ইতিবাচক পদক্ষেপ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে চা উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে থাকে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর