লাখাইয়ে কচু চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০১:২৭ PM

লাখাইয়ে কচু চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের

লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২/০১/২০২৪ ১০:৪৭:৪৩ AM

লাখাইয়ে কচু চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের


চলতি মৌসুমে হবিগঞ্জের হাওড়াঞ্চল লাখাই উপজেলায় কচু চাষে সফলতা পেয়েছেন। দাম ভাল থাকায় লাভবান হচ্ছেন কচু চাষিরা। মাঠে কচু লতা চাষে ব্যস্ত চাষিরা। লতাকচু হিসেবে পরিচিত স্থানীয়ভাবে লতিরাজ জাতের কচু অনেকের কাছেই প্রিয় সবজি হয়ে উঠেছে। ক্রমাগত চাহিদা বৃদ্ধি ও ভাল বাজারমূল্য পাওয়ায় বিস্তীর্ণ বরেন্দ্র এলাকাসহ লাখাই অঞ্চলের কচুচাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। গতবারের লোকসানও পুষিয়ে যাচ্ছে এবার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলার  উপযুক্ত ভূমি, উপকূল আবহাওয়া ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় কচুর চাষ ভাল হয়েছে। শ্রমিক, যত্ন ও চাষাবাদে স্বল্প ব্যয় হওয়ায় অনেক কৃষক কচুচাষকে বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণ করেছেন অনেকে।

উপজেলার স্বজনগ্রামের কচু চাষীরা জারু মিয়া জানান, ডিসেম্বের মাসের প্রথমার্ধে ওর গাঁও  থেকে  লতি জাতের কচুর চারা কিনে আনি। এই কচু চাষ মধ্য এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে জুন জুলাই পর্যন্ত চলে। তবে গত বছর কচুতে লোকসান হওয়ায় এবারে কিছুটা কম জমিতে আবাদ হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে স্থানীয় বাজারে লতিরাজ কচুকন্দ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং দুই/তিন মাস পর এই দাম দ্বিগুণ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যান্য সবজির চেয়ে কচুর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এর চাহিদাও বাড়ছে। এতে কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। গরু কচু গাছ খায় না এবং তা দেখাশোনার জন্য কোন শ্রমিকেরও প্রয়োজন হয় না।

লাখাই ইউনিয়ন উপ কৃষি কর্মকর্তা অমিত ভট্টাচার্য  জানায়, কচু পরিবেশ-বান্ধব, বিষমুক্ত ও পুষ্টিকর শস্য। কৃষি বিভাগ কৃষকদের উচ্চ ফলনজাতের কচু চাষের জন্য পরামর্শ দিয়ে আসছে।

তিনি জানান, কৃষকরা এ অঞ্চলে সাদা ও লাল রংয়ের কচুসহ বিভিন্ন জাতের কচুর চাষ করেন। প্রায় সব জাতের কচুই পানিমগ্ন এলাকায় জন্মে থাকে। ধান চাষের চেয়ে প্রায় ৫ গুণ বেশি লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা লতিরাজ জাতের কচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কচু চাষে খুব অল্প পরিচর্যা লাগে। তাই এর চাষে ঝুঁকিও কম।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর