পিএসএলের ২০২৩ আসরে ছিলেন দুর্দান্ত। মুলতান সুলতানসের হয়ে খেলা এই বোলার ছিলেন সেই আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী। কিন্তু দুঃস্বপ্ন হয়ে আসল ইনজুরি। সেটি কাটিয়ে উঠলেও আর পিএসএলে জায়গা হয়নি ইহসানউল্লাহর। অভিমানে অবসর নিলেন এই টুর্নামেন্ট থেকে।
পিএএসএল বয়কট করে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে ইহসান বলেন, ‘পিএসএলকে বয়কট করছি, অবসর নিচ্ছি। আর কোনো দিন পিএসএলে খেলতে দেখবেন না। পুরোপুরি এটা বয়কট করছি, অবসর নিচ্ছি। ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম করে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই, পিএসএল খেলে না। ’
গতিতে বোলিংয়ের জন্য আলোচনায় এসেছিলেন ইহসান। ২০২৩ আসরে ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করে এসেছেন আলোচনায়। ইনজুরি থেকে ফিরলেও কেউ যোগাযোগ করেনি তার সঙ্গে। তবে এই পেসার অনেকটা রাগ নিয়েই বলেছেন, আবারও ফিরবেন। সেই গতি নিয়ে ফিরে দেখিয়ে দিবেন নিজের যোগ্যতা।
এই পেসার বলেন, ‘আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি। যখন কেউ অন্য কাউকে পায়, তখন তারা তার সঙ্গে থাকে। ১৫০-১৬০ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করব। আর যারা বলেছে ১৩০-১৩৫ কি.মির গতির বোলার, এক দেড় মাসের মধ্যে তাদের দেখিয়ে দেব ওই বোলার নই যে পিএসএল ৮ খেলেছিল আর চোটে পড়েছিল। এর চেয়েও ভালো বোলার হবো। ’
অষ্টম আসরে দারুণ পারফর্ম করে ইহসান জায়গা করে নিয়েছিলেন জাতীয় দলেও। কিন্তু পাঁচ ম্যাচ খেলার পর চোটে পড়েন তিনি। কনুইয়ের সেই চোটের নাকি ভুল চিকিৎসা হয়েছিল। তবে সবকিছু চাপিয়ে যখন ফিরলেন। পুড়তে হলো হতাশায়।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
ক্রীড়া ডেস্ক 








