জুয়াবিরোধী অভিযানে প্রশংসা কুড়াচ্ছে ডিবি
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১২:৫২ PM

এক মাসে শতাধিক জুয়াড়ি গ্রেপ্তার, মুল হোতারা অধরা

জুয়াবিরোধী অভিযানে প্রশংসা কুড়াচ্ছে ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭/০২/২০২৪ ০৬:০৬:৪৩ AM

জুয়াবিরোধী অভিযানে প্রশংসা কুড়াচ্ছে ডিবি


সিলেট মেট্টোপলিটন এলাকঅয় জুয়াড়িদের নির্মুল করতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে এসএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বিভিন্ন জুয়ার আখড়ায় গত একমাস থেকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা চলছে। ফলে গত এক মাসে একাধিক স্পটে অভিযান চালিয়ে প্রায় শতাধিক জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করে। তবে এত অভিযানের পরও বার বারই ধরাছুয়ার বাহিরে থেকে যাচ্ছে এর মুল হোতারা। ফলে অভিযানের পর পরই আবারো শুরু হয়ে যায় জুয়ার আসব। আর সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ বিষয়টিতে ভূমিকা নিলে এসব জুয়ার আসর চিরতরে নির্মূল করা যেত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসএমপির দক্ষিণ সুরমার কদমতলীর ফেরিঘাটে সবচেয়ে বড় জুয়ার বোর্ড ছিল। ডিবি পুলিশ সেখানে দুইবার অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে আটক করে। ডিবির একাধিক অভিযানের ফলে বর্তমানে ফেরিঘাটের জুয়ার বোর্ডটি বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, মহানগর ডিবি পুলিশ দক্ষিণ সুরমার কদমতলী বালুর মাঠ, চাঁদনীঘাট মাছ বাজার, বাবনা মোড় ও ক্বীনব্রীজের নিচে কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে অন্তত ৫০ জন জুয়াড়িকে আটক করে।  এয়ারপোর্ট থানাধীন বড়শালা নয়াবাজারে অভিযান চালিয়ে ১৩ জন জুয়াড়িকে আটক করেছে ডিবি।

কিন্তু এসব জুয়ার আসরের মুল মালিকরা গ্রেফতার না হওয়ায় ডিবির অভিযান শেষ হয়ে যাওয়ার পর পর আবারো খেলা শুরু হয়ে যায়। ফলে এদেরকে থামানো সম্ভব হচ্ছে না।

ডিবি পুলিশ জানায়, চলতি সপ্তাহে কাশেমের জুয়ার স্পট থেকে ৭ জন, চাঁদনীঘাট সাইফুল ও আলামিনের জুয়ার আসর থেকে থেকে ১২ জন ও বাঘবাড়ি বর্ণমালা থেকে ১২ জন, তালতলা থেকে ৭ জন জুয়াড়ি আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বিভিন্ন স্পট থেকে এসব জুয়াড়ি আটক করা হলেও এসব স্পটের রাগবরাএখনো অধরা রয়েছে বলে একটি সূত্র দাবি করেছ্।

এসএমপির মিডিয়া  সূত্র জানায়, এসএমপি পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে ডিবি পুলিশ চোরাচালান, জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে অভিযান চালাচ্ছে।

দক্ষিণ সুরমার চাঁদনীঘাট এলাকার ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান বলেন, আমরা জুয়াড়িদের কারেন ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারতাম না। ডিবির অভিযানের জন্য জুয়াড়িদের উৎপাত কিছুটা কমেছে। ডিবির পাশাপাশি থানা পুলিশও অভিযান অব্যাহত রাখলে ভালো হতো। এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে নির্বিঘ্নে আমাদের ব্যাবসা করতে সুবিধা হবে।

এসএমপির গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার তাহিয়াত আহমেদ চৌধুরী বলেন, জুয়ার বিরুদ্ধে এটি আমাদের নিয়মিত অভিযান। আমরা এসব জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান করছি, যাতে করে এসব জুয়ার আসর একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।

আজকের সিলেট/কেআর

সিলেটজুড়ে


মহানগর