সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী ঘোষণা প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরীকে দলীয় প্যাডে কারণ দর্শানোর একটি নোটিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দলীয় নীতি ও শৃঙ্খলা অমান্য করে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নাম ভাঙিয়ে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী নিজে থেকে ‘সিলেট-৪ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করায়’ তাকে ৩ দিনের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না- এর কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করা হলো।
নোটিশে আরো উল্লেখ, অন্যথায় আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দল সাংগঠনিক ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।
সিলেট-১ আসনে মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার পর ঢাকায় দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলীয় হাইকমান্ডের সাথে দেখা করে গত ৫ নভেম্বর রাতে আরিফুল হক চৌধুরী জানান, দল তাকে সিলেট-৪ আসনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে এবং পরদিন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
সিলেট-৪ আসন নিয়ে এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দলীয় আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা আসেনি। এরই মধ্যে ৮ নভেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারণ দর্শানোর একটি নোটিশ ছড়িয়ে পড়ে।
নোটিশের শুরুতেই তারিখ হিসেবে লেখা হয়েছে ‘৮ অক্টোবর ২০২৫’। অথচ বিএনপি ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা গত ৩ নভেম্বর। আর আরিফুল হক নিজের মনোনয়নের বিষয়টি জানিয়েছেন ৫ নভেম্বর রাতে।
সে হিসেবে, সিলেট-৪ প্রেক্ষাপটে কোন অবস্থানেই ৮ অক্টোবর এই কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি হতে পারে না।
বিষয়টি নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করলে তারা সকলেই জানিয়েছেন যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ নোটিশটি – ‘ভুয়া’ বা ‘মিথ্যা’।
এখন প্রশ্ন উঠেছে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক দুই বারের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে এধরনের মিথ্য অপপ্রচার করছে কারা?
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
নিউজ ডেস্ক 








