হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ঘটনাপ্রবাহের পর সিলেটে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা। আজ সকালে গোলাপগঞ্জে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় শেষে তারা কানাইঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে গোলাপগঞ্জের কর্মসূচি শেষ করে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, ডা. মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িবহর নিয়ে কানাইঘাটের পথে যাত্রা করেন।
এনসিপির পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বিকেলে কানাইঘাটে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি ও সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের। সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পরে সন্ধ্যায় ওসমানীনগরে আরেকটি সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।
এর আগে দুপুরে সিলেটে পৌঁছে কেন্দ্রীয় নেতারা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সংক্ষিপ্ত সময় অবস্থান করেন। পরে গোলাপগঞ্জে গিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।
হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা এবং মৌলভীবাজারে পুলিশের বাধার ঘটনার পর সিলেট সফরকে ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গোলাপগঞ্জ, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।
এনসিপির নেতারা জানিয়েছেন, ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেটের বিভিন্ন উপজেলায় ধারাবাহিকভাবে পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে দলের কর্মসূচি রয়েছে।
আজকের সিলেট/এপি









